৭ই ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
আফগানিস্তানে ভূমিকম্প: আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন তালেবানের
67 বার পঠিত

সমাজের কথা ডেস্ক॥ আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছে তালেবান।

ভূমিকম্পে এক হাজারেরও বেশি নিহত ও অন্তত ১৫০০ জন আহত হয়েছে। অজ্ঞাত সংখ্যক এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে, অধিকাংশই মাটির তৈরি ঘরবাড়ি।

দেশটির দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় পাকতিকা প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘ জরুরি আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব ও ভারী বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বেঁচে যাওয়া লোকজন ও উদ্ধারকারীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের আশপাশের গ্রামগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, সেসব এলাকায় রাস্তা ও মোবাইল ফোনের টাওয়ারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

রয়টার্সরয়টার্সদুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এ ভূমিকম্প দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবানের জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।
দেশটির খোস্ত শহর থেকে ৪৪ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পটি পাকিস্তান ও ভারতেও অনুভূত হয়েছে।

গত বছর তালেবান ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই আফগানিস্তান একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।

জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতা আব্দুল কাহার বালখি বলেছেন, “ক্ষতিগ্রস্তদের যে পরিমাণ সহায়তা দরকার তা দেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য সরকারের নেই।”

ত্রাণ সংস্থাগুলো, প্রতিবেশী দেশগুলো ও বিশ্ব শক্তিগুলো সহায়তা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, “সাহায্যের পরিমাণ খুব বড় আকারে বাড়ানো দরকার কারণ এটি একটি ধ্বংসাÍক ভূমিকম্প যার অভিজ্ঞতা কয়েক দশকের মধ্যে হয়নি।”

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, জাতিসংঘ এই বিপর্যয়ে ‘সর্বাÍভাবে’ সাড়া দিচ্ছে। স্বাস্থ্য টিম, চিকিৎসা সরবরাহ, খাদ্য ও জরুরি আশ্রয়ের উপকরণ ভূমিকম্প উপদ্রুত অঞ্চলের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্বের অভিভাবক সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

এ পর্যন্ত অধিকাংশ হতাহতের ঘটনাই পাকতিকা প্রদেশের গায়ান ও বারমাল জেলায় ঘটেছে। গায়ানের একটি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

“গর্জনের মতো একটা শব্দ শোনা যায় আর আমার বিছানা কাঁপতে শুরু করে,” বেঁচে যাওয়া একজন, শাবির, বলেন বিবিসিকে।

“ছাদ ভেঙে পড়ে। আমি আটকা পড়ে যাই কিন্তু আকাশ দেখতে পাচ্ছিলাম। কাঁধে, মাথায় আঘাত পেলেও বের হয়ে আসতে পারি। আমি নিশ্চিত, আমার পরিবারের সাত থেকে নয় জন, যারা ওই একই ঘরে ছিলাম সবাই মারা গেছে,” বলেছেন তিনি।

সম্পাদক ও প্রকাশক : শাহীন চাকলাদার  |  ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আমিনুর রহমান মামুন।
১৩৬, গোহাটা রোড, লোহাপট্টি, যশোর।
ফোন : বার্তা বিভাগ : ০২৪৭৭৭৬৬৪২৭, ০১৭১২-৬১১৭০৭, বিজ্ঞাপন : ০১৭৩০৮৫৫৯৭৯, ০১৭১১-১৮৬৫৪৩
Email : samajerkatha@gmail.com
স্বত্ব © samajerkatha :- ২০২০-২০২২
crossmenu linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram