বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 24, 2019

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

এই তো ক'দিন পরেই শুরু অমর একুশ বইমেলা শিশু-কিশোর, বুড়ো-যুবক নাও গুছিয়ে সব খেলা। কিনতে হবে নতুন বই আর জানতে হবে জ্ঞান কিছু, চলো ছুটি গুটিগুটি শব্দকথার পিছু পিছু।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

বন্ধু-স্বজন মাপছে ওজন যাচ্ছে শীতে পিকনিকে হেসে-গেয়ে খেয়েদেয়ে আসছে ফিরে ঝিকঝিকে। খেলাধুলা ভীষণ মজা সাথে কতোকিছুর চল পিকনিকেতে থাকে আরও র‌্যাফেল, অভিনয়ের ঢল।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

হচ্ছে চুরি ভুড়িভুড়ি মোবাইল আর ল্যপটপ মোটর বাইক, টিভি, কার-ও নিচ্ছে গিলে ফটাফট। কটর কটর ছুটছে চোরে দিচ্ছে উঁকি দরজায় এট্টু বেখেয়াল হলেই হলো- রাস্তাঘাটের ভরসায়।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

মাঘের শীতে কাঁপছে শহর চাঁদর মুড়ে ধীরে গাঁও-গেরামে মাতছে সবাই খেজুর রসের ক্ষীরে। হচ্ছে পিঠা-পুলি কুলি ভাপা-ধুপি, পাকান্ চিতই, পাটিসাপ্টা আরও জামাইপিঠা। তাকান্।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

দুঃখগুলোর কষ্ট হাওয়া যতোই করুক আশা-যাওয়া আশার আলো বুকে জ্বেলে বইতে হবে নদী, সুখের জন্য প্রদীপ জ্বালো দাও ঘুচিয়ে সকল কালো সম্মুখে পথ চলতে গেলে আনন্দ চাও যদি।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

জমছে লড়াই ব্যাটে বলে জমছে বিপিএল, খেলছে সাকিব তামিম মুশি খেলছে দেখো গেইল। ঝরছে আগুন মাশরাফিতে রুশোর ব্যাটে ঝড়, জিততে হলে লড়তে হবে উড়িয়ে দ্বিধা-ডর।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

শীতের বুড়ি থুত্থুরি বেশ, জটা মাথার খুব এলোকেশ। তাইতে কাঁপে ঠক্ ঠকাঠক্, দাঁতে দাঁত বারি বক্ বকাবক্। এঁটেসেঁটে জামা তাই চলাচল, থেমে যায় শিশুমন-কোলাহল। তবে বেশ ভালো আনে বাড়িপিঠা, তাইতো বুড়ি...

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

তেঁতুল তেঁতুল চারিদিকে তেঁতুল বড় টক তেঁতুলটকে ঝরছে লালা টপ টপাটপ টপ। টকের মাঝেও মিস্টি তেঁতুল তেঁতুলসাথে ঝাল লেবুর সাথে ডললে তেঁতুল তিঁতায় ভরে গাল।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

অসুক বিসুখ কষ্টের মুখ দেখছে মানুষ, দেখবে কতো? না থাকলে সুষ্ঠুভাবে পরিবেশে দুঃখ যতো। শব্দ দূষণ, পানি, মাটি আরও দূষণ চিন্তাকথায়, পরিবর্তন আনতে হবে কল্পনা আর স্বপ্ন-যথায়।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

শীতের দিনে মিষ্টি স্বাদের খেজুর গাছের রস, গুড়-পাটালির সাথেই আছে যশোর জেলার যশ। কিন্তু গুড়ে দিচ্ছে ভেজাল- দুষ্টু লোকের কাজ, সুনাম ধরে রাখতে হলে রুখতে হবে আজ।