যশোরে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার

124
যশোরে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম সমন্বয় করেছে সরকার। কিন্তু যশোরের সরকারনির্ধারিত মূল্যে মিলছে না গ্যাস। খুচরা পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার। ফলে অধিক মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় বেকায়দায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের খুচরা মুল্য নির্ধারণ করে দেয় এক হাজার ২৩৫টাকা। কিন্তু বর্তমান বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৩৫০ টাকারও বেশি দামে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকেরা।
কারবালা এলাকার গৃহিণী শারমিন সুলতানা উন্তি বলেন, আগস্টে ১২ কেজি গ্যাস কিনলাম এক হাজার ২১৯ টাকায়। এবার সরকার ১৬ টাকা দাম বাড়িয়ে মূল্য হয়েছে এক হাজার ২৩৫ টাকা। কিন্তু বৃহস্পতিবার সরকার নির্ধারিত মূল্যে না রেখে এক হাজার ৩২০টাকা দাম ধরেছে দোকানি। এটা মেনে নেয়া যায় না।
উপশহর এলাকার চা দোকানি শরিফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন পরপর গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ছে। এটা খুব কষ্টকর আমাদের জন্য। যেভাবে গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে; ওই ভাবে আমাদের উপার্জন বাড়ছে না।’
এদিকে, নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে না পারার জন্য কোম্পানিকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, কোম্পানিগুলোই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন।
নাম না প্রকাশের শর্তে শহরের দুজন ব্যবসায়ী জানান, নতুন দামে সিলিন্ডার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। কিন্তু আমরা সরকারি নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে পারছি না। কারণ, কোম্পানিগুলো সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে আমাদের কাছে বিক্রি করছে। ফলে আমাদেরও ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিব বলেন, বৃহস্পতিবার শহরের বিমান অফিস মোড়ে গ্যাস বিপনী দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এলপিজি গ্যাসের ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থানে মাঠে নেমেছি। কোন অভিযোগ পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’