যশোরে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক মিরাজুল অপহরণ মামলায় আটক ১

130
‘অসংখ্য মাদক মামলার সাক্ষি’ রহিম ফেনসিডিলসহ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক :
যশোরে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক মিরাজুল ইসলামকে অপহরণের পর আটক রেখে মুক্তিপণ দাবি ও মারপিটের অভিযোগে সোহাগ হোসেন (২২) নামে একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মিরাজুল ইসলাম আটক সোহাগসহ তিনজনের নামে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেছেন। আটক সোহাগ সদর উপজেলার কুলতাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

অপর দুই আসামি হলো, আব্দুলপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৩২) এবং চুড়ামনকাটির আজিজুর রহমানের ছেলে রবিউল (৩০)।

সদর উপজেলার গাইদগাছি গ্রামের হারেজ আলী হাওলাদারের ছেলে মিরাজুল ইসলাম (৩২)।
মামলার এজাহারে বলেছেন, তিনি মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একজন যাত্রী নিয়ে চুড়ামনকাটি বাজারে যান। চুড়ামনকাটি থেকে আব্দুল বাজারে এসে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। বিকেলে আসামি সোহাগ তাকে চৌগাছা বাজারে যাওয়ার জন্য ২শ’ টাকায় ভাড়া করে। কিন্তু যাওয়ার পথে আমবটতলা থেকে আসামি তৌহিদুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে উঠায়। কিছু দুর যাওয়ার পথে দুইজনই রাস্তার পাশের বেগুন ক্ষেতে নিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। চাকু ঠেকিয়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আসামি তৌহিদুল তার পকেটে থাকা সাড়ে ৩ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। বাকি টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে দেয়ার শর্তে তাকে আব্দুলপুর বাজারে নিয়ে আসে। একটি চায়ের দোকানের মধ্যে আটকে রাখে। সে সময় অপর আসামি রবিউলও সেখানে যায়। ওই চায়ের দোকানে বসে ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য মহাসিন আলী। তিনি ১০ হাজার টাকায় মিটিয়ে দেয়ার কথা বলে চলে যান। আর ওই সময় আব্দুলপুর বাজারে একটি র‌্যাবের গাড়ি আসে। র‌্যাবের গাড়ি দেখে মিরাজুল ইসলাম চিৎকার দেন। র‌্যাব সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে এবং আসামি সোহাগকে আটক করে। তবে সোহাগের সহযোগিরা পালিয়ে যায়।