‘কালা পাহাড়’র দাম উঠেছে ১২ লাখ টাকা 

1

নিজস্ব প্রতিবেদক :
যশোরের সব চেয়ে বড় কোরবানির গরু ‘কালা পাহাড়’র দাম উঠেছে সাড়ে ১২ লাখ টাকা। জেলাতে দাম না পেলে ‘কালা পাহাড়’কে ঢাকার গাবতলীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গরুর মালিক সৌমিক আহমেদ সাগর।
যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়ার সৌমিক আহমেদ সাগর বলেন, শখের বসে গরু পালন করি। কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুত করা হয় ২২০০ কেজি (৫৫মণ) ওজনের ‘কালা পাহাড়’কে। ৩বছর ধরে এই গরুকে লালনপালন করছি। প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় তার রয়েছে ১৬-১৭ কেজি ধান, চাল, গম, ছোলা, কেওড়া, খেসারি, মসুর ডাল, সয়াবিন, সরিষা, তুলাবীজ, নারিকেলের খৈল, কালিজিরাসহ ১৪ রকমে মিশ্রিত পালিশ। সাথে বিচলি ও কাঁচা ঘাস। প্রতিদিন আড়াই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে কালা পাহাড়ের পেছনে।
তিনি আরো বলেন, নওয়াপাড়া থেকে ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে এই ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটা ক্রয় করি। ৩ বছর যাবত নিজের সন্তানের মতো করে লালনপালন করেছি। কোরবানি ঈদে গরুটি দাম নির্ধারণ করেছি ৩০ লাখ টাকা। তবে এখন অবদি কালা পাহাড়ে দাম উঠেছে সাড়ে ১২ লাখ টাকা। গরুটির সঠিক মূল্য না পাওয়া হতাশ হয়ে পড়েছি। মঙ্গলবারের মধ্যে বিক্রি না হলে ঢাকার গাবতলীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাব।’
যশোর সদর উপজেলা প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরে গত ১৪ মে পশু প্রদর্শণীর আয়োজনে করে। সেই অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের অন্য প্রাণিদের পিছনে ফেলে কালা পাহাড় প্রথম স্থান অর্জন করে। জেলা প্রশাসন ও প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর থেকে একটি ক্রেস্ট ও সনদ দেয়।
যশোর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শফিউল আলম বলেন, নিঃসন্দেহে সৌমিক আহমেদ সাগর’র পালিত ‘কালা পাহাড়’ যশোর জেলা মধ্যে সব চেয়ে বড় গরু। তবে খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম পাচটা গরুর মধ্যে কালা পাহাড় থাকবে। ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি খাবার তালিকায় আছে ধান, চাল, গম, ছোলা, কেওড়া, খেসারি, মসুর ডাল, সয়াবিন, সরিষা, তুলাবীজ, নারিকেলের খৈল, কালিজিরাসহ ১৪ রকম খাবার মিশ্রিত পালিশ। তবে খারাপ লাগছে গরুটি সঠিক দাম মালিক না পাওয়ায়।