সবাইকে সাথে নিয়ে যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রমকে এগিয়ে নেবো : মাহমুদ হাসান বুলু

1

নিজস্ব প্রতিবেদক :
উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমির নির্বাহী কমিটির চতুর্থ নির্বাচন (২০২২-২০২৫) সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে ‘লাল-সবুজ’ পরিষদ নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। তবে লড়াই করেছে রংধনু পরিষদও।

নির্বাচনের পরদিন গতকাল সাংস্কৃতিক অঙ্গন নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের নানান বিশ্লেষণ করেছে। আর বিজয়ী পরিষদ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।

নির্বাচনে ‘আসুন দক্ষতায়, আসুন স্বচ্ছতায়’ স্লোগানকে সামনে রেখে জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ ‘লাল-সবুজ’ নামে একটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নেয়। যার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অ্যাড. মাহমুদ হাসান বুলু।

অপর দিকে রওশন আরা রাসুর নেতৃত্বে ‘রংধনু’ নামে একটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নেয়।
নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু। এ বিজয়ের ফলে তিনি টানা চারবার এ পদে নির্বাচিত হলেন। সাধারণ সম্পাদক পদে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শেকড় যশোরের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রাসু; যার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৩৭৯।

এদিকে টানা চারবার সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়ে অ্যাড. মাহমুদ হাসান বুলু বলেন, নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া; এ প্রক্রিয়ায় জয়পরাজয় থাকবে। তবে আমরা যারা লাল সবুজ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছি, তারা সকলকে সাথে নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রমকে এগিয়ে নেবো। আমরা অতীতেরমত সকল সংগঠনের সাথে আলোচনা করেই শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রমকে গতিশীল করব। এটাই গণতন্ত্র এটাই লাল-সবুজ প্যানেলের অঙ্গীকার।

বিজয়ের পর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদ হাসান বুলু তার অনুভূতি প্রকাশ করতে যেয়ে আরও বলেন, শিল্পকলার সম্মানিত ভোটাররা সততা ও স্বচ্ছতার পক্ষে তাদের রায় ঘোষণা করে প্রমাণ করেছেন, যশোরের সাংস্কৃতিক আন্দোলন অসাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতার চেতনার পক্ষে এগিয়ে যাবে। বিপক্ষে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন তারাও আমাদের সহযাত্রী; আমরা তাদেরকেও অভিনন্দন জানাই এ জন্য যে- তারা নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে চালু রাখতে সহযোগিতা করেছেন।

এদিকে পরাজয়ের পর শেকড় যশোরের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রাসু বিজয়ী দলকে এক অভিনন্দন বার্তায় জানান, দীর্ঘদিনের একটি সংগঠিত দলের বিরুদ্ধে আমাদের স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতে যে ভোট প্রতিযোগিতায় আমরা অংশগ্রহণ করেছিলাম, যার জন্যে শিল্পকলায় ভোট উৎসব হয়েছে এবং ভোটাররা সম্মানিত হয়েছেন। জয় পরাজয় মূখ্য নয়, সব কিছু মেনে নিয়ে আমরা পূর্বের মতই এক সাথেই আগামী দিনগুলিতে চলতে পারবো- এটা আমাদের বিশ্বাস।

একই সাথে রংধনু প্যানেলসহ আমাকে যারা ভোট দিয়ে যে ঋণে আবদ্ধ করলেন, আমি চেষ্টা করবো; সারাজীবন সুস্থ সাংস্কৃতিক সেবার সাথে যুক্ত থেকে তাদের আশা আকাক্সক্ষার সাথে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।