যশোর পৌরসভায় কোরবানির ৪৬টি স্থান নির্ধারণ

1

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কোরবানির পশু জবাইয়ে যশোর পৌর এলাকায় ৪৬টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পৌরবাসীকে নির্ধারিত স্থানেই কোরবানির পশু জবাইয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার বিকেলে কালেক্টরেট সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। কোভিড-১৯ এর বিধিনিষেধ মেনে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, চামড়া ব্যবসায়ীদের কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ, নির্দিষ্টস্থানে পশু কোরবানি ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সংক্রান্ত এসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান।

আলোচনায় অংশ নেন, সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস, স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপপরিচালক হুসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, ঝিকরগাছা পৌরসভার মেয়র মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামাল, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রাশেদুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোরের উপপরিচালক বিল্লাল বিন কাশেম, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবীব, বিসিকের উপমহাব্যবস্থাপক গোলাম হাফিজ, চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আকিল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন মুকুল, যশোর পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার প্রমুখ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলার আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

আলোচকবৃন্দ বলেন, এবার ঈদুল আযহায় যশোরে পশু সংকট হবে না। চাহিদার চেয়ে চার থেকে পাঁচ হাজার পশু বেশি প্রস্তুত আছে। পশুহাটে জাল নোট চক্রের অপতৎপরতা প্রতিহতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। সভায় জানানো হয়- যশোরে একটি সিন্ডিকেট আছে, যারা বাইরের ব্যবসায়ীদের কাছে বাকিতে চামড়া বিক্রি করে। এতে করে প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। ঈদুল আযহার সময় সরকার বিনা সুদে ঋণ দেয়। সেই ঋণ সুষম বণ্টন না করলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হবে না।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত যশোরের পরিস্থিতি ভালো আছে। তবে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে নির্দিষ্টস্থানে কোরবানির পশু জবাই দিতে হবে এবং পশুর বর্জ্য নির্দিষ্টস্থানে ফেলতে হবে। এজন্য পৌরসভা কর্তৃক ৯টি ওয়ার্ডে ৪৬টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নির্ধারিত স্থানেই কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য আহ্বান জানান তিনি।