ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে বিয়ের অভিযোগে স্ত্রীর আদালতে মামলা 

1

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে বিয়ের অভিযোগে মনিরুল ইসলাম ওরফে সুজন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর উপশহর ই-ব্লক মাঠপাড়ার মৃত মনোহর মিস্ত্রীর মেয়ে রিংকু হাওলাদার মুক্তি বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালাল অভিযোগে তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামি সুজন নড়াইল লোহাগড়ার নওয়খোলা গ্রামের মৃত আজিজার মোল্যার ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মুক্তি পরিবার পরিকল্পনা সমিতির মাঠকর্মী। আসামি প্রাণ কোম্পানির স্টার গ্রুপের টিএসএম পদে কর্মরত ছিল। ২০১৬ সালে যশোর মণিহার সিনেমা হল চত্বরে আসামির সাথে মুক্তির পরিচয় হয়। মনিরুল তার ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে সুজন পরিচয়ে মাঝেমধ্যে মোবাইল ফোনে কথা বলতো ও দেখা করতো। ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সুজন শহরের বিসিএমসি কলেজের পিছনের এক বাসায় নিয়ে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর শহরের বকচর চক্ষু হাসপাতালের সামনে বাসা ভাড়া নিয়ে একত্রে সংসার করতে থাকে। শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যেতে বললে সুজন আজ না কাল বলে ঘোরাতে থাকে। এরমধ্যে জমি কেনার কথা বলে মুক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নেয় সুজন। জমি কেনার পর সুজন বাড়ি না করায় এবং শ্বশুর বাড়ি নিয়ে না যাওয়ায় তার মনে সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে গত ২২ এপ্রিল সুজন উপশহরের ভাড়া বাসা থেকে গোলযোগ করে চলে যায়। এরপর সুজন আর ফিরে আসেনি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সুজন তার ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে তাকে বিয়ে করে এবং পরে অস্বীকার করেছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।