যশোরে প্রতারণার দায়ে ভাটার শ্রমিক সরদার মন্টু গাজীর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিদেক ॥ প্রতারণার দায়ে ইট ভাটার শ্রমিক সরদার মন্টু গাজীকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা বসু এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। আসামি মন্টু গাজী খুলনা পাইকগাছার মঠবাটি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ইট ভাটার শ্রমিক সরদার মন্টু গাজী যশোর সদরের চাউলিয়ার মেসার্স ইউনিক ভাটার মালিকের সাথে এক বছরের চুক্তি করেন শ্রমিক নিয়ে ১৪ লাখ কাঁচা ইট তৈরী করে দিবেন। এ বাবদ মন্টু ভাটা মালিকের কাছ থেকে অগ্রিম সাড়ে ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মন্টু শ্রমিক নিয়ে ভাটার ১ নম্বর পাক মিলের আওতায় কাজ শুরু করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর শ্রমিক সরদার মন্টু তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যান। পরে ভাটার মলিক খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন শ্রমিক সরদার মন্টু অন্য একটি ভাটা মালিকের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়েছিল। এখন মন্টু ও তার লোকজন ওই ভাটায় কাজ করছেন। এপর মন্টু কাছে অগ্রিম টাকা ফেরত চাইলে ঘোরাতে থাকেন। ওই বছরের ২ ডিসেম্বর তার কর্মস্থল একই উপজেলার ভাটায় যেয়ে টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ভাটা মালিক যশোর শহরের বেজপাড়ার রাজু আহম্মেদ আরিফ বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষী গ্রহণ শেষে আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৪ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মন্টু গাজী পলাতক রয়েছে।

শেয়ার