যশোরে সোনা চোরাচালান মামলায় তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের চৌগাছা ও বেনাপোলের আলাদা সোনা চোরাচালন মামলায় আটক তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। তবে তাদের যে সোনার বারগুলো দিয়েছিল তাদের তাদের নাম পরিচয় কেউ জানেনা বলে জানিয়েছে তারা। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শালমান আহমেদ শুভ আসামিদের এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলো, চৌগাছার বড় কাবিলপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে শাহ আলম এবং শরীয়তপুর জেলার পালন থানার নুরুজ্জামান খানের ছেলে ফাহাদ উজ জামান খান ও একই এলাকার কাশেম খানের ছেলে নান্টু খান।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ২০ মে ৪৯/ই কোম্পানি বিজিবির সদস্যরা চৌগাছার বড় কাবিলপুর শ্মশানঘাট এলাকার পাশের কাঁচা রাস্তার উপর থেকে কৃষক বেসে থাকা শাহ আলম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। আটক শাহ আলমের দেহ তল্লাশি করে কোমরে টেপ দিয়ে বাধা ১২৪ পিচ সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ১৪ কেজি সাড়ে ৪শ’ গ্রাম। যার মুল্য দশ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার। এ ঘটনায় বিজিবির নায়েক আবু রায়হান বাদী হয়ে চোরাচালান দমন আইনে চৌগাছা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক ইয়াসিন আলম চৌধুরী আটক শাহ আলমকে আদালতে আদেশে একদিনের রিমান্ড শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করেন। শাহ আলম সোনার বার পাচারের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

অপরদিকে বুধবার ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল চেকপোস্টে থেকে দুই যুবককে আটক ও তাদের কাছ থেকে ৩৫০ গ্রাম ওজনের তিনটি সোনার বার উদ্ধার করে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও এনএসআই। সকালে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো ফাহাদ খান ও নান্টু খান। এ ব্যাপারে আটক দু’জনের বিরুদ্ধে চোরাচালান দমন আইনে মামলা দিয়ে পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার আটক দু’জনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সোনার বার পাচারের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

শেয়ার