আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ

সমাজের কথা ডেস্ক॥ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল সুপ্রিম কাউন্সিল দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানকে নির্বাচিত করেছে।

এমবিজেড নামে খ্যাত মোহাম্মদ বিন জায়েদ সৎভাই আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদের শাসনামলের শেষ ক’বছর দেশের ‘ডি ফ্যাক্টো’ শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শেখ খলিফার মৃত্যুর পরদিন শনিবার আরব আমিরাত ফেডারেশনভুক্ত ৭টি আমিরাতের শাসকদের নিয়ে গঠিত সুপ্রিম কাউন্সিল এমবিজেডের হাতেই দায়িত্ব তুলে দিল বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রেসিডেন্ট হওয়ায় মোহাম্মদ বিন জায়েদ ওপেকের সদস্য তেল উৎপাদনকারী ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রভাবশালী দেশটির সর্বত্র নিজের ক্ষমতা আরও সুসংহত করার সুযোগ পেলেন।

“আমরা তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং আমাদের জনগণের মতো আমরাও আনুগত্যের অঙ্গীকার করছি। পুরো দেশ তার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে,” টুইটারে এমনটাই বলেছেন দুবাইয়ের শাসক, আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুম।
শেখ খলিফা অসুস্থ থাকার কয়েক বছরে কার্যত এমবিজেড-ই দেশ শাসন করছিলেন। ২০১৪ সালে স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে শেখ খলিফাকে জনসম্মুখে খুব একটা দেখা যেত না।

৬১ বছর বয়সী মোহাম্মদ বিন জায়েদ এমন এক সময়ে প্রেসিডেন্ট হলেন, যখন আমিরাতের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র ওয়াশিংটনের সম্পর্ক দৃশ্যত খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্র তার উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তা উদ্বেগকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে এমন ধারণা থেকেই অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।

এমবিজেডের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক বিন্যাস দেখা যাচ্ছে, যাতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন ইরানবিরোধী অক্ষ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আমিরাতের সামরিক সক্ষমতাও বাড়িয়েছেন, যা তেল সম্পদ ও ব্যবসায়িক হাব মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরেও আমিরাতের প্রভাব বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

শেয়ার