খেজুর ঘোষণা দিয়ে আনা হয় ৫৫ লাখ শলাকা সিগারেট

8

সমাজের কথা ডেস্ক॥ খেজুর ঘোষণা দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আনা এক কন্টেইনার পণ্যের কায়িক পরীক্ষায় মিললো ৫৫ লাখ শলাকা সিগারেট।

মাস চারেক আগে চট্টগ্রামের জুবিলি রোডের সূচনা ইন্টারন্যাশনাল চালানটি আনলেও তা খালাসের জন্য বিল অব এট্রি দাখিল করেনি। সন্দেহ হওয়ায় চট্টগ্রামের ইস্পাহানি সামিট এলায়েন্স ডিপোতে থাকা ওই কন্টেইনার রোববার শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সোমবার চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর (অডিট ইনভেস্টিগেশন ও রিসার্চ) শাখার উপ-কমিশনার শরফুদ্দিন ভুঞা বলেন, কন্টেইনারের ভেতর থাকা দুই হাজার ৭৭২টি কার্টন কেটে পরীক্ষা করে ১৯৮৩টি কার্টনের ভেতরে খেজুরের নিচে সুকৌশলে রাখা বিদেশি মন্ড ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। বাকি ৭৮৯ কার্টনে শুধু খেজুর পাওয়া যায়।

“কার্টনগুলোতে ৫৫ লাখ ৫২ হাজার ৪০০ শলাকা সিগারেট পাওয়া যায়, যার আনুমানিক মূল্য এক কোটি ১৯ লাখ টাকা। এর মধ্য দিয়ে সূচনা ইন্টারন্যাশনাল সাত কোটি ১১ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করেছে। চালানটিতে খেজুর পাওয়া ১১ হাজার ৮৫৬ কেজি “

এ ঘটনায় কাস্টমস আইনে সংশি¬ষ্ট প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ফেলে যাওয়া পৌনে ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক ব্যক্তির ফেলে যাওয়া পৌনে দুই লাখের বেশি টাকাভরতি ব্যাগ মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছেন এক ভ্যানচালক।

সোমবার দুপুরে শৈলকুপা উপজেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।

শৈলকুপা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, হাফেজ মাওলানা মুফতি আশরাফ আলী ফারুকী নামে এক কলেজশিক্ষক শৈলকুপা শাখা রূপালী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আনোয়ার হোসেনের ভ্যানযোগে কবিরপুর যাচ্ছিলেন।

“সোনালী ব্যাংকের সামনে এসে তিনি ভ্যান থেকে নেমে যান; কিন্তু টাকাভরতি ব্যাগটি ভ্যানের উপর রয়ে যায়।”

ওসি জানান, ভ্যানচালক আনোয়ার হোসেন বাড়িতে গিয়ে ব্যাগটি পান এবং সেটি খুলে এক লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা পান। এরপর তিনি শহরে এসে টাকার মালিককে খুঁজতে থাকেন।

“তাকে না পেয়ে তিনি শৈলকুপা থানায় গিয়ে হাজির হন ও টাকার ব্যগটি আমার হাতে তুলে দেন। এদিকে টাকার মালিকও থানায় মামলা দিতে উপস্থিত হন।”

ভ্যানচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, এ টাকার মালিক তিনি নন। মালিককে খুঁজে টাকা ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করেন।

ব্যাগের মালিক মুফতি আশরাফ আলী ফারুকী বলেন, থানার ওসি সাহেব টাকাভরতি ব্যাগটি তার হাতে তুলে দিয়েছেন। একজন দরিদ্র ভ্যানচালকের সততায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। ভ্যান চালককে তিনি পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন।