শার্শায় অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর সাহায্যের আবেদন

এ্যান্টনি দাস অপু ॥ অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না আমেনা খাতুন নামে এক অসহায় গৃহবধূ। গত ২০দিন পিতার বাড়িতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এ অবস্থায় মেয়ের উন্নত চিকিৎসা না করাতে পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন মেয়েটির মা বাবা।

রান্না করতে গিয়ে গত ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে অগ্নিদগ্ধ হন তিনি। আমেনা খাতুন যশোরের শার্শায় বসতপুর এক নং কলোনীর হযরত আলীর মেয়ে।

জানা যায়, পোড়া শরীর নিয়ে ২০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তেমন সুস্থ হয়নি তিনি। চিকিৎসার জন্য বাইরে থাকা এবং অতিমাত্রায় ওষুধ সেবনের ফলে শুকিয়ে গেছে মায়ের বুকের দুধ। যার ফলে মায়ের কাছে গেলেও দুধ খাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে তার ছোট্ট শিশুটি। আগুনে পুড়ে গেছে মা তাই মায়ের পরশ না পেয়ে ছোট্ট শিশুটি সব সময় নির্বাক। মায়ের জন্য কিছু সময় ছটফটানি আবার কিছু সময় নিরবতার সাথে অবাক দৃষ্টিতে ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থেকেই যেন শিশুটির দিন পার হয়ে যায়।

এদিকে অল্প কিছুদিন গৃহবধূ আমেনা খাতুনের চিকিৎসা হলেও চরম অর্থ সংকটে পড়েছেন আমেনা খাতুনের পিতা-মাতা। স্বামীর সংসার থেকেও কোন রকম অর্থের যোগান না পেয়ে ধুঁকে ধুঁকে গরীব পিতা-মাতার ঘরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন অসহায় গৃহবধূ। যে সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরায় সেখানে মেয়ের শরীরের পুড়া ক্ষত কিভাবে সারাবেন সে গভীর চিন্তায় সমাজের বিত্তশালী সকল মানুষের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

বসতপুর ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, আমি এই পরিবারটিকে চিনি ও জানি। গরীব ও অসহায় পরিবারের হতভাগা মেয়েটি আগুনে পুড়ে চিকিৎসার অভাবে বাড়িতে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা কিছু টাকা পয়সা তুলে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেছি কিন্তু তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ প্রয়োজন। সমাজের বিত্তশালী সকলকে সাহায্যের জন্য অনুরোধ করছি। সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ মোবাইল নং -০১৯৮৬২২০২৪১ (বিকাশ)

শেয়ার