যশোরে প্রাথমিকে একভাগ ও মাধ্যমিক দুই ভাগ বই এসে পৌছায়নি

সারা দেশে আগামীকাল নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ

ইমরান হোসেন পিংকু: সারা দেশের সাথে আগামীকাল (১ জানুয়ারি) যশোরেও নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ শুরু হবে। করোনাভাইরাসের কারণে উৎসব না হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই বিতরণ করা হবে। বিদ্যালয়ে ভিড় এড়াতে একেক দিন একেক শ্রেণির বই বিতরণ করবে বিদ্যালয়গুলো। কিন্তু চাহিদার তুলনায় জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, দাখিল, এবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই প্রথমদিকে পৌঁছাবে না। তবে ১২ জানুয়ারির মধ্যে সব বই বিতরণ সম্ভব হবে আশাবাদী শিক্ষা কর্মকর্তারা।

২০২২ সালে চাহিদা তুলনায় যশোরে প্রাথমিকের পাঠ্যপুস্তক এসেছে ৭২.৩৩ শতাংশ। আর মাধ্যমিকে এসেছে ৩১ শতাংশ। চাহিদার তুলনায় দাখিলে বই দিতে পারছে ৩৫ শতাংশ এবং এবতেদায়ীতে এসেছে ৯৫ শতাংশ বই। চাহিদা অনুপাতে এসএসসি ভোকেশনাল, দাখিল ভোকেশনাল ও ইংলিশ ভার্সনের বই আসেনি এ জেলায়।
যশোর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, জেলার আট উপজেলায় প্রাথমিকের বইয়ের চাহিদা রয়েছে ১৪ লক্ষ ২ হাজার ৪ শ’ ৭ সেট, সেখানে বই এসেছে ১০ লক্ষ ৩ হাজার ১৫ সেট, অর্থাৎ জেলায় প্রাথমিকে বইয়ের চাহিদা রয়েছে এখনও ২৭.৬৭ শতাংশ। অন্যদিকে জেলার মাধ্যমিকের বই চাহিদা রয়েছে ২৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫শ ৫৭ সেট বই। সেখানে জেলায় বই এসেছে ৮ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫শ’ ৮৫ সেট অর্থাৎ এখনও বইয়ের চাহিদা রয়েছে জেলায় ৬৯ শতাংশ। দাখিলে বইয়ের চাহিদা ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ২শ’ ৩২ সেট। সেখানে বই এসেছে ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৭শ’ ১২ সেট অর্থাৎ চাহিদা এখনও ৬৫ শতাংশ। এবতেদায়ীর চাহিদা রয়েছে ৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬শ’ ৮৯ সেট। সেখানে বই দিতে পারছে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫শ’ ৪২ সেট, অর্থাৎ ৫ শতাংশ বইয়ের চাহিদা আছে এখনও।

অপরদিকে, এসএসসি ভোকেশনাল বইয়ের চাহিদা রয়েছে ৮ লক্ষ ২হাজার ২শ’ ৩৫ সেট, দাখিল ভোকেশনালে বইয়ের চাহিদা ১ হাজার ৬শ’ ৫৫ সেট ও ইংলিশ ভার্সন বই চাহিদা রয়েছে ১০হাজার ৪শ’ ২১ সেটের।
যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম গোলাম আযম জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে এবার উৎসব হবে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই বিতরণ করবে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়ে ভিড় এড়াতে একেক দিন একেক শ্রেণির বই বিতরণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চাহিদা অনুপাতে বাকি বই ১২ জানুয়ারি মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে পৌঁচ্ছে যাবে।’

শেয়ার