শার্শার ১০ ইউনিয়নে নৌকা স্বতন্ত্র ভাগাভাগি

শার্শার ১০ ইউনিয়নে নৌকা স্বতন্ত্র ভাগাভাগিআতাউর রহমান, বেনাপোল (যশোর)॥ যশোরের শার্শা উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষ বিপক্ষে অভিযোগের মধ্যে দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে নৌকার প্রতীক নিয়ে ৫ জন এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থী ৫ জন জয়লাভ করেছেন। রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

প্রাথমিক ফলাফলে উপজেলার ১০টি ইউপিতে নৌকা প্রার্থীর ৫ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৫ জন নির্বাচিত হয়েছেন। শার্শার কায়বা ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগনেতা আলতাফ হোসেন। বাগআঁচড়া ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগনেতা আব্দুল খালেক। উলাশী ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। শার্শা ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী কবির উদ্দীন তোতা। নিজামপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগনেতা সেলিম রেজা বিপুল জয়লাভ করেছেন। লক্ষণপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম ছিনিয়ে নিয়েছেন বিজয়। ডিহি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান মুকুল জয়ী হয়েছেন। বাহাদুরপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগনেতা মফিজুর রহমান জয় পেয়েছেন। পুটখালী ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আব্দুল গফফার বিজয়লাভ করেছেন। গোগা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আ’লীগনেতা তবিবর রহমান জয়লাভ করেছেন।
এর আগে নির্বাচনী সহিংসতায় শার্শায় গত ১৫ দিনে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই পক্ষের দেড় শতাধিক। এসব ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিও শতাধিক।

উপজেলা নির্বাচন কমিশনার মেহেদী হাসান বলেন, ১০ টি ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ৪৩ জন। ভোটকেন্দ্র ছিল ১০৮টি। ভোটার সংখ্যা ছিল ২লাখ ৩৫ হাজার ২৪৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৩ ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ২০০ জন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, রোববার শার্শায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। কোথাও তেমন কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নির্বাচনের আগের দিন থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। এ ছাড়া বাড়তি নিরাপত্তার জন্য পুলিশের মোবাইল টিম, বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাব ও বিজিবি’র টিম সার্বক্ষণিক কাজ করেছে।

শেয়ার