নৌকা উন্নয়ন ও প্রগতির প্রতিক ॥ নেহালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভায় : আব্দুল মজিদ

নেহালপুর (মণিরামপুর) প্রতিনিধি ॥ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মজিদ বলেছেন, নৌকা মার্কা হলো উন্নয়ন ও প্রগতির প্রতিক। নৌকা মার্কার জয় হলে এদেশের গরীব-দুখি মানুষের ভাগ্য বদল হয়। ৭০’র জাতীয় নির্বাচনে নৌকা বিজয়ী হয়েছিল বলেই এদেশ স্বাধীন হয়েছিল। ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে নৌকা বিজয়ী হয়েছিল বলেই আজ এদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। তাই নির্বাচন হলেই নৌকা মার্কা দেখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে। আর যারা নৌকা মার্কার সাথে বেঈমানি করে, তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হতে পারে না।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মণিরামপুর উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের স্থানীয় শাহিদা সুলতানা বালিকা বিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নৌকা মার্কার বিরোধিতাকারিদের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আগামী ২৮ নভেম্বর ইউনিয়ন নির্বাচনে যারা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নৌকার বিপক্ষে অবস্থানকারি ও মদদ দাতাদের চিহ্নিত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমিনুর রহমানের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কেশবপুর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, যশোর শহর আওয়ামী লীগের সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু ও মটর শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক রবীন অধিকারী ব্যাচা। এসময় উপস্থিত ছিলেন-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতবৃন্দ।

নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন ও কামরুজ্জামানকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। তাদের বহিস্কার করায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে স¦স্তি ফিরেছে। স্থানীয় সংগঠন আরও গতিলাভ করেছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকের কর্মকান্ডে অনেক দিন ধরেই স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। স্থানীয় একাধিক নেতা-কর্মী এই তথ্য নিশ্চিত করেছন।

শেয়ার