যশোরের তিন স্কুল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

গত ১১ নভেম্বর প্রথম পৃষ্ঠায় ‘যশোরের তিন সরকারি স্কুলে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে নিয়মের লঙ্ঘন, শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন যশোর জিলা স্কুল ও যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কৃষিশিক্ষার চার সিনিয়র শিক্ষক।

এক প্রতিবাদলিপিতে যশোর জিলা স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম খান ও মো: মনিরুজ্জামান এবং যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: আহসান হাবীব পারভেজ ও মো: গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, তিন স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশকৃত প্রজ্ঞাপন, গেজেট ও আদালতকে মেনে চলছেন। নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো ও ২২জন শিক্ষকের প্রতি অন্যায় করার যে দাবি করা হয়েছে তা সঠিক নয়।

কারণ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ কর্তৃক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারী শিক্ষক/ শিক্ষিকাদের সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রদানের নিমিত্তে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ সংক্রান্ত মতামত প্রকাশের পরেই আদালতে মামলা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি খারিজ হলে উচ্চ আদালতে আপিল মামলা করা হয়। যা চলমান।

প্রতিবেদকের ভাষ্য : প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের কোনো নিজস্ব বক্তব্য নেই। সংশ্লিষ্ট সকলের বক্তব্যের ভিত্তিতেই সংবাদটি লেখা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সরকারি আদেশ, গেজেট এবং মামলা নিয়ে তাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। একইসাথে প্রতিবাদকারী শিক্ষকদের বক্তব্যও সংযুক্ত রয়েছে।

 

শেয়ার