যশোরে চোর চক্রের ৬ জন আটক ২ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইটি মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে। যশোর শহর ও অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী ও লক্ষীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ৭জনের নামে একটি মামলা হয়েছে।

আসামিরা হলো, অভয়নগরের লক্ষিপুর পশ্চিম পাড়ার ইশারতের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২২), কওছার শেখের ছেলে হেলাল শেখ (২২), ধোপাদি গ্রামের হাসান গাজীর ছেলে শিমুল গাজী (২১), শংকরপুর গ্রামের হাকিম গাজীর ছেলে শিমুল গাজী (৩৪), পাঁচকবর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে ফিরোজ হোসেন মোল্লা (২৫), যশোর সদর থানার জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে হাসান আকন (২৩) এবং খুলনার ফুলতলা উপজেলার দামুদা গ্রামের মৃত তারেক কাজীর ছেলে কাজী রায়হান তিতু (২৮)। আটককৃতদের কাছ থেকে দুইটি মোটরসাইকলে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে তিতু পলাতক রয়েছে।

ডিবি পুলিশের এসআই ইদ্রিসুর রহমান জানিয়েছেন, গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় শ্রমিক ভবনের সামনে থেকে ১টি চোরাই নীল রংয়ের চোরাই টিভিএস ব্রান্ডের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় আরিফুল ইসলামকে আটক করা হয়। আটক আরিফুলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আসামি হেলাল ও শিমুল গাজীকে আটক করা হয়। তারা জানায় ৪/৫ মাস আগে আসামি শিমুল গাজী (৩৪) ও ফিরোজের কাছ থেকে অল্প দামে একটি মোটরসাইকেল কিনে অন্য যায়গায় বিক্রি করে দেয়। তারা আরো জানান, ওই দুইজনের কাছে আরো চোরাই মোটরসাইকেল আছে। রোববার ভোরে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ফিরোজ ও শিমুল গাজীকে (৩৪)। তাদের কাছ থেকে পুলিশ তথ্য পায়, বসুন্দিয়ার জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের হাসান আকনের কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি কেনেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে হাসানকে আটক করা হয়। এবং তার বাড়ি থেকে লাল রংয়ের একটি টিভিএস ব্যান্ডের মোটসাইকেল জব্দ করা হয়। হাসান পুলিশকে জানায়, আসামি তিতু চোরাই মোটরসাইকেল চোরচক্রের মূল হোতা। সে চোরাই মোটরসাইকেল কিনে তা আবার বিক্রি করে দেয়। সে মোতাবেক রোববার সকালে তিুতর ফুলতলার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তাকে আটক করা যায়নি। সকল আসামি এই চোরচক্রের সদস্য। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ছিনতাই, মাদক ও চুরির মামলা আছে।

 

 

শেয়ার