যশোরে আ’লীগের জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা ॥ কলঙ্কিত ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর একই চক্রান্তের ধারাবাহিকতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরাই জাতীয় চার নেতার হত্যাকারী। ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর একইসূত্রে গাঁথা এবং একই চক্রান্তের ধারাবাহিকতা। একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এই দুটি কলঙ্কিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে। অভিভাবকশূন্য করতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা আর নেতৃত্বশূন্য করতেই একাত্তরের পরাজিত শক্তি জেলহত্যা সংঘটিত করেছিলো।

বুধবার বিকালে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। যশোর সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের সভাপতিত্বে বক্তারা আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডে যারা খুনি, তাদের দণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাদের দণ্ড কার্যকর হয়নি, তারা বিদেশে পলাতক রয়েছে। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার কাজ করছে। জাতির পিতা অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা লিপিবদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে চলেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে থমকে দিতে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানির মধ্যে দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদ হাসান বিপুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, সহসভাপতি আব্দুল মজিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হাসান মিলন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবলীগনেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস। আলোচনা শেষে ১৫ আগস্ট সকল শহিদ ও জাতীয় চার নেতার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান।

 

শেয়ার