নেংগুড়াহাট এলাকায় হঠাৎ ধানে কারেন্ট পোকার আক্রমণ

নেংগুড়াহাট (মনিরামপুর) প্রতিনিধি॥ মনিরামপুর উপজেলার নেংগুড়াহাট এলাকায় হঠাৎ কারেন্ট পোকার আক্রমণে কৃষকদের মাথায় হাত উঠেছে। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই, রাতারাতি এলাকায় ব্যাপক হারে কারেন্ট পোকা লেগেছে ধানে। সূত্রমতে আর কিছুদিন পরই ধান কেটে, ঘরে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে কৃষক। কিন্তু এমন সময় রোপা আমন ধানে গাছফড়িং বা কারেন্ট পোকার আক্রমণে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে ধানের গাছ। গাছের বিবর্ণ চেহারা দেখে কৃষকের চেহারাও বিবর্ণ হয়ে গেছে। শেষ সময়ে ফসলের ক্ষেত্রে পোকার আক্রমণে কৃষকের মাথায় হাত উঠেছে। জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার নেংগুড়াহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করে ক্ষেতে পোকার আক্রমণে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বাজারের ওষুধ এই পোকা দমন করতে পারছে না। আবার হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় কীটনাশকের সংকটও সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় পোকা দমনে আলোক ফাঁদ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন, চালুয়াহাটি ইউনিয়ন কৃষি উপসহকারী মারুফুল হক ও হাবিবুর রহমান।
রন্তশাহাপুর গ্রামের কৃষক নাজির, রেজাউল, সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকে বলেন, হঠাৎ করে ধানে পোকার আক্রমণে আমাদের ফসল উৎপাদন কমে যাবে এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হবে। নেংগুড়াহাট বাজারের রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবসায়ী রেজোয়ান, সবুজ, ও ইসলাম বলেন, প্রতিদিনই শত শত কৃষক কারেন্ট পোকা দমনের জন্য কীটনাশক কিনতে আসছেন। জানাযায়, এই পোকার নাম বাদামি গাছফড়িং (বিপিএইচ)। স্থানীয়ভাবে এই পোকাকে কৃষকরা ‘কারেন্ট পোকা’ বলছেন। এদিকে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এরই মধ্যে এ সম্পর্কিত প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়েছে। এই পোকা দমনে ধানক্ষেতে আলোক ফাঁদ তৈরির জন্য কৃষকদের বলা হয়েছে। চালুয়াহাটি ইউনিয়ন কৃষি উপ- পরিচালক মারুফুল হক ও হাবিবুর রহমান এবছর রোপা আমনে পোকার আক্রমনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, জমিতে পোকার আক্রমণ হয়। তবে তা জানার পর তাৎক্ষনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে উৎপাদনের কোন সমস্যা হবে না বলেও জানান তারা।

শেয়ার