আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

এহসান এস সোসাইটির চেয়ারম্যানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এহসান এস সোসাইটির চেয়ারম্যানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। রোববার যশোর শহরের পশ্চিম বারান্দীপাড়া কদমতলার মফিজুল ইসলাম ইমন কোতোয়ালি মডেল থানায় এই মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, সংস্থার চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মুফতি আবু তাহের নদভী, কোতোয়ালি থানার জামাল খান রোডের লিচুবাগার এলাকার কলিমুল্লাহ কলি, সংস্থার প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থাপক মাগুরা সদর উপজেলার সাজিয়ারা গ্রামের কাজী রবিউল ইসলাম, সংস্থার এজিএম মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের জুনায়েদ আলী, সংস্থার ম্যানেজার একই গ্রামের আতাউল্লাহ, সংস্থার পরিচালক একই গ্রামের আইউব আলী, সংস্থার পরিচালক মাগুরা সদরের রাউতলা গ্রামের আজিজুর রহমান, সংস্থার পরিচালক কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার লক্ষীধরদিয়ার গ্রামের মঈন উদ্দিন, সংস্থার পরিচালক খুলনার লবণচরা এলাকার হরিণটানা বিয়াবাজারের মুফতি গোলাম রহমান, সংস্থার পরিচালক খানজাহান আলী থানার শিরোমণি এলাকার মিজানুর রহমান, সংস্থার পরিচালক পাইকগাছা উপজেলার মরল গ্রামের মনিরুল ইসলাম, সংস্থার পরিচালক লক্ষ্মীপুর জেলার কনলনগর উপজেলার মুজিবুল্লাবাড়ি-চড়মাটিন গ্রামের আব্দুল মতিন, সংস্থার পরিচালক (প্রশাসন বিভাগ) সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার খুবদিপুর-ফকির সরদার বাড়ির আমিনুল হক, সংস্থার এফও যশোর শহরের পুলিশ লাইন টালিখোলা এলাকার মোহাম্মদ আলী, সংস্থার এফও যশোর উপশহর ই-ব্লকের আক্তারুজ্জামান, সংস্থার পরিচালক যশোর কোতোয়ালি থানাধীন রামনগর-রাজারহাট এলাকার মুফতি মোহাম্মদ ইউনুস আহম্মেদ, সংস্থার এফও কমিটির সাবেক সেক্রেটারি রামনগর গ্রামের ফুরকান আহম্মেদ, সংস্থার এফও কমিটির সমন্বয়কারী সেক্রেটারি যশোর শহরতলীর জামরুলতলার তারা মসজিদ’র বাবর আলী, সংস্থার এফও কমিটির প্রচার সম্পাদক একই এলাকার আব্দুল হক, সংস্থার এফও কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক যশোরের শার্শা উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের এসএম সেলিম উল আজম চৌধুরী, সংস্থার পরিচালক বাঘারপাড়া উপজেলার ধান্যপাড়া গ্রামের শামসুজ্জামান টিটু, কেশবপুরের বেতিখোলা গ্রামের আব্দুল হালিম, সংস্থার এফও কমিটির সভাপতি বাঘারপাড়ার খোর্দ বনগ্রামের শামসুর রহমান, সংস্থার সেক্রেটারি শাখার মাঠকর্মী বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার খদ্যবলাইল-হাটশেরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম সোনামিয়া, সংস্থার এফও কমিটির অর্থ সম্পাদক বরিশালের বাখেরগঞ্জ উপজেলার সুন্দরকাঠি গ্রামের মোকসেদ আলী, চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের লোকমান হোসেন, সংস্থার পরিচালক ঢাকার তুরাগ থানার রানাভোলা এলাকার এসএম মিরাজুর রহমান ও পটুয়াখালির কুয়াকাটা এলাকার হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী।

বাদী মফিজুল ইসলাম মামলায় বলেছেন, আসামিরা প্রতারক, ধাপ্পাবাজ, ইসলামী পোশাক ব্যবহার করে বিভিন্ন বয়ানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের ভুল বুঝিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ায় তাদের মূল কাজ। আর তারই অংশ হিসেবে যশোর শহরের চৌরাস্তার শরীফ মার্কেটে এহসান সোসাইটি, এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি নাম দিয়ে এবং মুনাফা দেয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শুধুমাত্র যশোরের কয়েকজন লোকের কাছ থেকেই ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু কোন লোকজনদের মুনাফা দেয়নি। ফলে তাদের কাছে আসল টাকা ফেরৎ চেয়েও কেউ পায়নি।

শেয়ার