বিসিআইসি’র ডিলারদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ করলেন বিএডিসির ডিলাররা

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যশোরে মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিএডিসির যশোরের ডিলাররা বিসিআইসি’র ডিলারদের বিরুদ্ধে খালাস ও উত্তোলনের সময় অন্যদের কাছে সার বিক্রি করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। আর এতে বাজারে সারের সংকট সৃষ্টি হয়। ফলে দামও বৃদ্ধি পায়। বেশি দামে সার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হন চাষিরা। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ে এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের তালিকাভূক্ত ডিলাররা নামমাত্র বরাদ্দ পাওয়ায় বাজারে সারের সংকট কাটছে না। আর এটি বেশি দামে সার বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি করছে। কারণ জেলার চাহিদার বেশির ভাগ বরাদ্দ পায় বাংলাদেশ কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) ডিলাররা। কিন্তু বরাদ্দের সিংহভাগই খালাসের সময় বন্দরে বিক্রি করে দেয়া হয়। যেখান থেকে তারা বরাদ্দের সার উক্তোলন করেন সেখানকার ব্যবসায়ীদের কাছেও সব সার বিক্রি করে দেন। আর যেটি বাজারে সারের সংকট সৃষ্টি করে। দামও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
সভায় বিএডিসি’র ডিলাররা দাবি করেন, তাদের কাছে নামমাত্র পরিমাণ বরাদ্দ দিলে সারের সংকট কাটবে না। অধিক মূল্যে সার বিক্রিও বন্ধ হবে না। ফলে বরাবরের মতন চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই বিসিআইসি’র ডিলারদের মতন তারা সমপরিমাণ সার বরাদ্দ পেলে সংকট ও অধিকমূল্যে সার বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে।
বুধবার যশোরের ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা ছাড়াও ডিলার, অটোরাইস মিলার, হিমাগার মালিকরাও মতবিনিময়ে অংশ নেন। জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সার্কিট হাউসে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের পরিচালক কাজী আবুল কালাম, কৃষি বিপণন জোরদার প্রকল্পের পরিচালক শাহানাজ বেগম ও উপপরিচালক রাজু আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হুসাইন শওকত।

শেয়ার