নড়াইলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পাকাঘর নির্মাণের অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি॥ নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের শিমুলিয়ায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ নির্মাণর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে মামলাটির বাদীর দাবি চক্রটি নানা রকম হুমকি ধামকি দিচ্ছে। তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফের নির্মাণ কাজ করার পায়তারা করছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া মৌজার এস.এ ৫৩১ খতিয়ানের ৩৩৬ দাগের ৩৪ শতক জমি ওই গ্রামের অহিদ মোল্যার পিতা আবু বক্কার মোল্যার রেকর্ডীয় স্বত্ব দখলীয় জমি। ওই জমির মধ্যে ৩ শতক জমির ওপর প্রতিপক্ষ পান্নু মোল্যা, হাফিজুর বিশ্বাস ও তার দলীয় লোকজন দা, লাঠি সোঠা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ নিয়ে গত ২৭ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে জোরপূর্বক দালান ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ সময় অহিদ মোল্যা ও তার স্বজনরা টের পেয়ে নির্মাণ কাজে বাঁধা দেন। পান্নু মোল্যা, হাফিজুর বিশ্বাস ও তার লোকজন ওই স্থানে ভবিষ্যতে জোরপূর্বক দালান ঘর নির্মাণ করবেন এবং এ কাজে কেউ বাঁধা দিলে তাকে খুন, জখম করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ওইদিন তারা চলে যায়। খুন, জখম ও শান্তিভঙ্গের আশংকায় গত ২৭ জুলাই অহিদ মোল্যা বাদী হয়ে নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ফৌ:কা:বি:১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি আমলে নিয়ে আপাতত দালানঘরের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সদর থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের পরও পান্নু মোল্যা, হাফিজুর বিশ্বাস ও তার লোকজন দালানঘর নির্মাণের চেষ্টা চালান বলে অহিদ মোল্যা অভিযোগে জানান।

অহিদ মোল্যা অভিযোগে আরো জানান, পান্নু মোল্যা ও হাফিজুর বিশ্বাস নালিশী সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে দালানঘর নির্মাণের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

দালানঘর নির্মাণের ব্যাপারে হাফিজুর বিশ্বাসের পক্ষের লোক মো: আমীন হোসেন মিনা বলেন, আদালতের নির্দেশে পুলিশ এসে দালানঘরের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলেছে। তারপর আর কোন কাজ করা হয়নি। নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাবার ব্যাপারে প্রতিপক্ষ অহিদ মোল্যা সম্পুর্ণ মিথ্যাচার চালাচ্ছে।
এ ব্যাপারে বিছালী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই আব্দুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশক্রমে শিমুলিয়া মৌজার এস.এ ৫৩১ খতিয়ানের ৩৩৬ দাগের জমিতে উভয়পক্ষকে যে কোন ধরণের নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

শেয়ার