ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তী উদ্যাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ব্রুনাইতে যৌথভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তী ও দেশটির ৩৭ তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদ্যাপন হয়েছে। দিবস দুটি উদ্যাপন উপলক্ষে ব্রুনাইয়ের সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অডিটোরিয়ামে একটি কাব্য নাটক মঞ্চায়িত হয়। গত ২০ জুন ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাই কমিশন ও ব্রুনাই রিডিং এন্ড লিটারারি অ্যাসোসিয়েশন নাটকটি মঞ্চায়নের উদ্যোগ নেয়।
ব্রুনাইয়ের হাইকমিশন সূত্র জানায়, এদিন সন্ধ্যায় ‘দ্য লামুত লানটিং পোয়েট্রি ড্রামা: অ্যা লিজেনড্র কালচারাল ফোকটেল অব ব্রুনাই দারুনসালাম’ শীর্ষক নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাই কমিশনার নাহিদা রহমান সুমনা ও রেলা’র সভাপতি ড. মালাই জেইতি বিনতি শেখ আবদুল হামিদ এটি মঞ্চায়নের উদ্যোগ নেন। দেশটির বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনাই দারুসসালামে অবস্থতি ওই অডিটোরিয়ামে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। এতে ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা, ব্রুনাইয়ের লেজিসলেটিভ কাউন্সিলরের সদস্য, ব্রুনাইয়ের সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিনের অনুষ্ঠানে রেলা’র সভাপতি ড. মালাই জেইতি বিনতি শেখ আবদুল হামিদ বলেন, ব্রুনাইয়ের যুবকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই নাটক দেশটির ঐতিহ্য ও ইতিহাসের পাশাপাশি যুব সমাজের প্রতিভা ও অমিত সম্ভাবনার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা রহমান সুমনা বলেন, এই কাব্যনাট্য আমাদেরকে ব্রুনাইয়ের প্রথম সুলতানি সাম্রাজ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। পাশাপাশি নাটকটি একটি দেশাত্মবোধক গল্প যেখানে ব্রুনাইয়ের সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও তৎপরতাকে তুলে ধরা হয়েছে এবং যেভাবে তারা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ভূমি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিল। আর সেই সংগ্রামের সূচনালগ্নের ইতিহাস ও সত্যকে এই নাটকের মাধ্যমে দেশটির মেধাবী তরুনের উপস্থাপন করতে প্রশংসনীয়ভাবে সফল হয়েছে। এছাড়া নাটকটিতে প্রবাসী বাংলাদেশী আবদুস সাত্তার মিয়ার তৈরিকৃত একটি নৌকা নাটকটিতে ব্যবহৃত হয়েছে। এব্যাপারে বাংলাদেশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ হবার কারণে নৌকা একটি বহুল প্রচলিত ও ব্যবহৃত বাহন। নাটকের আরেকটি অংশে মোরগ লড়াইয়ের একটি দৃশ্য ছিল। মোরগ লড়াই বাংলাদেশেও অতি জনপ্রিয়।

শেয়ার