খোশ আমদেদ মাহে রমজান

সমাজের কথা ডেস্ক॥ আমরা মাহে রমজানের ১ম দশক অতিবাহিত করে চলেছি। আজ রমজানুল মোবারকের ৭ম দিবস। সিয়াম সাধনার এ মাসের সঙ্গে কিয়াম সাধনা বা নামাজের ব্যাপক অনুশীলনের অনুপ্রেরণা রয়েছে। বস্তুত: আহকামে ইলাহী, তথা ঐশ্বরিক বিধানের হিকমত ও প্রজ্ঞার সামনে আমাদের সকলকেই মাথা ঝুঁকিয়ে দেয়া উচিত। এ অবিচল বিশ্বাস আমাদের থাকতে হবে যে, সালাত হলো বান্দার জন্য প্রেরিত আল্লাহ পাকের শ্রেষ্ঠ উপহার প্রধানতম ফরজ, দ্বীনের অন্যতম মূল স্তম্ভ নাজাত ও মুক্তির পূর্বশর্ত, ঈমানের অতন্দ্র প্রহরী। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা সালাত কায়েম কর আর মুশরিকদের দলভুক্ত হয়ো না। (সূরা রূম: ৩১)। সূরা আ’লার ১৪-১৫ আয়াতে এসেছে : সফল ব্যক্তি সেই, যে পবিত্রতা অর্জন করেছে। আপন প্রতিপালকের নাম স্মরণে অত:পর সালাতে মগ্ন থেকেছে।

প্রত্যেক সালাতের জন্যই আল্লাহ পাক সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয় সালাত মুমিনদের ওপর সময়সহ ফরজ করা হয়েছে।” (সূরা নিসা: ১০৩)। অতএব নির্ধারিত সময় মতোই আমাদের সালাত আদায় করতে হবে। সালাতের সময়সমূহের প্রতি ইঙ্গিত করে আল্ কুরআনে ইরশাদ হয়েছে: সূর্য হেলে পড়ার পর থেকে রাত আঁধার হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করুন, আর ভোরের সালাতও। নিশ্চয় ফজরের সালাত (ফিরিশতাদের) উপস্থিতির সময়।-(সূরা বনী ইসরাঈল: ৭৮ ) সূরা ত্ব-হা’র ১৩০ নং আয়াতে বলা হয়েছে: আপন প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠে রত থাকুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং দিনের শুরু ও রাতের শেষে তাসবীহ পাঠ করুন: যেন আপনি সুখী হন।’

 

শেয়ার