নিরাপদ পানি পাবেন চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৭৫ হাজার মানুষ

সমাজের কথা ডেস্ক॥ চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ নবনির্মিত শোধনাগার থেকে নিরাপদ পানি পাবেন বলে মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক জানিয়েছেন। শহরের সরকারি ছাগল খামারের কাছে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের পাশে শোধনাগারটির নির্মাণকাজ শেষে হয়েছে। এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মেয়র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ১০ কোটি টাকা ব্যয় এই শোধনাগারটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। গত বছর নভেম্বর কাজ শেষ হয়েছে।

“এখানে প্রতিঘণ্টায় সাড়ে তিন লাখ লিটার পানি শোধন করা যাবে। চারটি পাম্প থেকে আসবে এই পানি যা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হয়েছে। নিরাপদ পানি পৌঁছে যাবে পৌরবাসীর বাড়িতে। প্রতিদিন দুইবার নির্দিষ্ট সময়ে নিরাপদ এই পানি দেওয়া হবে। পৌরবাসী এই পানি খেতে পারবেন।”

তিনি বলেন, প্রথম শ্রেণির চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় মোট জনসংখ্যা এক লাখ ৭৪ হাজার ২৫০ জন।
“আপাতত নিরাপদ পানি সরবাহের আওতায় এসেছে ৭৫ হাজার ৩২০ জন। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য সব মিলিয়ে সংযোগ আছে সাত হাজার ৯০টি।”

মেয়র বলেন, ২০১৪ সালের জুলাই-অগাস্ট পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ডায়রিয়ার পাদুর্ভাব দেখা দেয়। প্রতিদিন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হতে থাকে শতাধিক রোগী। ওই সময় ছয় দিনে সদর হাসপাতালে ৯০০ রোগী ভর্তি হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। মানুষ ভয়ে পৌরসভার পানি খাওয়া বন্ধ করে দেয়। পৌর কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে পৌরসভার সরবরাহ করা পানি ফুটিয়ে খাওয়ার অনুরোধ করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ শুরু করে।

সে সময় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।
মেয়র বলেন, ওই সময় চুয়াডাঙ্গা পৌরবাসীর দাবি ছিল নিরাপদ পনি সরবাহের। সেই দাবি পূরণ হয়েছে। নির্মিত হয়েছে পানি শোধনাগার। এখন কেবল চালুর জন্য অপেক্ষা।

শেয়ার