গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তিতে সফলতা আসবে, আশা ইউজিসি চেয়ারম্যানের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট গুচ্ছের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারলে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তিতে বিরাট সফলতা আসবে।

“দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার দিকে তাকিয়ে আছে। ইউজিসি দেশবাসীকে সুন্দর একটি পরীক্ষা উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।”

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত যুক্তিসংগত বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট গুচ্ছের কমিটিকে আহ্বান জানান তিনি।

ইউজিসি সদস্য দিল আফরোজা বলেন, “গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুষ্ঠু ও প্রশ্নাতীতভাবে স্বচ্ছভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া। এজন্য গুচ্ছের মূল দায়িত্বে থাকা উপাচার্যদের প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণে গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইউজিসি সব সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।

বিশ্বিবিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান ইউজিসি সদস্য মুহাম্মদ আলমগীর।

তিনি বলেন, “এটি করা না গেলে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থী ছাড়া কেউ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।”

সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, “গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবেই চলছে। ইতোমধ্যে ৯টি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

“ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু করা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার জন্য তারা আন্তরিক।”

ভার্চুয়াল সভায় সাধারণ এবং প্রকৌশল গুচ্ছের আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলম, কৃষি গুচ্ছের আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গিয়াসউদ্দীন মিয়া বক্তব্য রাখেন।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক মো. আবু তাহের এবং সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফেরদৌস জামান যুক্ত ছিলেন।

শেয়ার