যশোর পুলিশের নারী কেলেঙ্কারী ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা!

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরের পুলিশ কনস্টেবল ইমরানের নারী নিয়ে ফূর্তির বিষয়টি ভিন্নখাতে নিয়েছে পুলিশ। আর এই ঘটনার মামলায় নাটকীয় কিছু কল্প কাহিনী লেখা হয়েছে। যেখানে মূল ঘটনাকে আড়াল করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত ১১ জানুয়ারি রাতে শহরের পুরাতন কসবার বকুলতলার শহীদ মিনার এলাকায় নারীসহ যশোরের পুলিশ কনস্টেবল ইমরান হোসেন (১৭৭২) ফূর্তি করছিলেন। এসময় কয়েকজন পথচারী খোলা জায়গায় ইমরানের ফূর্তি করা দেখে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হন ইমরান। কারণ পুলিশ বলে কথা ! এক পর্যায় সেই পথচারীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি পর্যন্ত গড়ায়।

কিন্তু বিষয়টি ভিন্নখাতে নিতে ইমরান গোটা পুলিশ বাহিনীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কল্প কাহিনী তৈরি করে নাটক সাজায়। ইমরান বর্তমানে জেলা প্রশাসকের বাংলোয় কর্মরত আছেন। গত সোমবার সন্ধ্যার পরে এক তরুণীকে নিয়ে শহীদ মিনারের পাশে ফূর্তি করতে যান। অথচ মামলায় উল্লেখ করেছেন, তিনি পুলিশ লাইনে বিভাগীয় পোষাক ভান্ডার থেকে অস্ত্রের তৈল, ফুল থ্রু ও কাপড়সহ কিছু জিনিসপত্র আনতে গিয়েছিলেন। এ পুলিশের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো অবস্থা-বলছেন অনেকেই। শুধু তাই নয়, পুলিশ সদস্যের নারী নিয়ে ফূর্তি কর্মকাণ্ড নিয়ে যেন বেশি দূর না গড়ায় এজন্য এই মামলার বিবরণীতে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী শ্রেণির কয়েকজনকে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাজানো নাটকে আটক দুইজনকে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

শেয়ার