যুবককে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগ ॥ বাঘারপাড়ায় নারীসহ দু’জনের নামে আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার হিংগারপাড়ার শিমুল হোসেনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগে এক নারীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার শিমুল হোসেন বাদী হয়ে যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা করেন। বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম অভিযোগটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলো, কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা উপজেলার মধ্যখামার গ্রামের আব্দুল খালেক ও তার মেয়ে ফরিদা পারভীন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, শিমুল হোসেন ঢাকার হাজারীবাগের হাতেমবাগ এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন। ফরিদা পারভীন তার বাসায় রান্না করতেন। এক সময় ফরিদা তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে ফরিদা পারভীন। তারপরও বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সন্ত্রাসীদের দিয়ে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে ফরিদা পারভীনের সাথে বিয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে ফরিদাকে নিয়ে সংসার করছিল শিমুল। এক পর্যায়ে শিমুল জানতে পারে ফরিদা এর আগে তিনটি বিয়ে করেছে। তার ১১ বছরের একটি ছেলে আছে। শেষের স্বামীকে তালাক না দিয়ে শিমুলকে বিয়ে করেছে। সর্বশেষ ধর্ষণ মামলার তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা বাদী ফরিদা পারভীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন আদালতে। গত ২৮ নভেম্বর ফরহাদ নামে কিশোর শিমুলের বাড়িতে এসে ফরিদা পারভীনকে মা হিসেবে দাবি করেন। ফরিদা পারভীন ফরহাকে তার প্রথম পক্ষের ছেলে বলে জানায়। ফরিদা পরভীন শেষের স্বামীকে তালাক না দেয়া ও জোর করে বিয়ের অভিযোগে এই মামলা দিয়েছেন। বিচারক তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে আদেশ দিয়েছেন।

শেয়ার