করোনার কারণে যশোরে এ বছর বিজয় দিবসের কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত

জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ করোনা ভাইরাসের এই অতিমারীর মধ্যে এবছরে বিজয় দিবসের কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত পরিসরে করবে যশোর জেলা প্রশাসন। গত বছরের মতো কুচকাওয়াজ ও সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজনও করা হবে না। গতকাল বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান।

সভায় যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে তপধ্বনি, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শুরু করা হবে। এরপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজয় স্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো, কালেক্টরেট সভাকক্ষে জুমে আলোচনা, বাদ জোহর যশোর শহরের বিভিন্ন মসজিদে দোয়া, বিভিন্ন উপাসানলয়ে প্রার্থনা, জেলখানা, হাসপাতালে, এতিমখানায় উন্নত খাবার পরিবেশন করা হবে। বিজয় দিবসে টি-২০ ক্রিকেট খেলা বন্ধ থাকবে। এছাড়া যশোর শহরের মণিহারস্থ বিজয় স্তম্ভ পরিষ্কার করার পাশাপাশি দ্রুত রঙ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া বুদ্ধিজীবী দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
গতকালের সভায় বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপ-পরিচালক হুসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান, সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা একেএম খয়রাত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশ, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুজহারুল ইসলাম মন্টু, জেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, মুক্তিযোদ্ধা রাজেক আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আলি হোসেন মনি, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল খালেক, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার এহসান কবীর, শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সকিনা খাতুন। এছাড়া যশোর জেলা বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার