জমি থেকে উচ্ছেদে ব্যর্থ হয়ে ‘ষড়যন্ত্র’ ॥ শার্শার টেংরা গ্রামের ইসমাঈলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের শার্শার টেংরা গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে একটি পরিবার। জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের সদস্যরা তাদের জমি থেকে উচ্ছেদে ব্যর্থ হয়ে এ ষড়যন্ত্র করছে। বর্তমানে ইসমাঈল হোসেন কারাগারে আটক থাকায় স্ত্রী-সন্তান মানবেতর জীবনযাপন করেছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিরাপরাধ স্বামীর মুক্তির দাবি করে রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফাতেমা বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে ফাতেমা বেগম বলেন, তাদের বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়। তারা উভয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন। দুইজনে প্রেম করে নিজ এলাকা ছেড়ে শার্শার টেংরা গ্রামে এসে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। এরপর একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে সংসার শুরু করেন। ইসমাইল রাজ মিস্ত্রির সহযোগীর কাজ করায় সংসার ভালো চলছিল না। এরপর ইসলাম সরদার তাদের একখন্ড পতিত জমি দেন বাড়ি করে বসবাসের জন্য। গ্রামবাসীর সহযোগিতার তারা টিনের ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। এরমধ্যে ইসলাম সরদার মারা যান। বেশ কিছুদিন ধরে ইসলাম সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রী জমি ছেড়ে দিতে বলেন। নিজেরা ভূমিহীন হওয়ায় তারা প্রতিবেশীদের শরণাপন্ন হন। এরমধ্যে জাহাঙ্গীরের ফুপাতো পোন তাসলিমা বাড়িতে এসে এ জমি খালি করে দেয়ার জন্য জোর তাগাদা শুরু করেন। জমি ছাড়তে দেরি হওয়ায় পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের এক মেয়েকে ইসমাইল ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে থানায় অভিযোগ দেয়। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ইসমাঈলকে ধরে নিয়ে গেছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে তার স্বামীর নামে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের লোকজন। তিনি এ ব্যাপারে তদন্ত করে মিথ্যা অভিযোগকাীরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার