বইয়ের নান্দনিক রাজ্য ‘নির্বাচিত’ ।। সাহিত্য সংবাদ

24
বইয়ের নান্দনিক রাজ্য ‘নির্বাচিত’ ।। সাহিত্য সংবাদ

বইয়ের নান্দনিক রাজ্য ‘নির্বাচিত’ ।। সাহিত্য সংবাদসাহিত্যকথা প্রতিবেদক
নান্দনিক রুচিতে সাজানো বইয়ের ছোটখাট এক রাজ্য ‘নির্বাচিত’। বুকশপের তাক জুড়ে আছে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, অনুবাদ সাহিত্যের রকমারি সংগ্রহ। জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীলসহ দেশি বিদেশি অন্যান্য বইপত্রেরও কমতি নেই। স্বনামধন্য প্রকাশনীর সেরা ও বাছাই করা সব বইয়ের সমাহার নিয়ে যশোরে তার যাত্রা। শহরের স্টেডিয়াম গ্যালারি মার্কেটেই এ ‘নির্বাচিত’ রাজ্যের অবস্থান। সুসজ্জিত ও দৃষ্টিনন্দন এই রাজ্যের উদ্যোক্তা দেশসেরা প্রকাশনী ‘ঐতিহ্য’। এখানে এসে পাঠক-ক্রেতা ঘুরে ফিরে বাছাই করে কিনতে পারেন তার পছন্দের বই।
গ্লাসঘেরা বুকশপটির ভেতরকার নান্দনিক বিন্যাস সত্যিই নজরকাড়া। মাইকেল মধুসূদন কলেজের আসাদ গেটের পশ্চিমপাশে স্টেডিয়ামের নতুন গ্যালারির কাছ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বইপ্রেমীদের চোখে আটকাতে বাধ্য। আর আটকে গেলে তো একবার ঢু মারতেই হয়! সেই আরকি, বইয়ের রাজ্যে পাঠকের ঘোরাফেরা তাই প্রথম দিন থেকেই।

জানা গেছে, ‘নির্বাচিত’ বুকশপ থেকে বই খুঁজে দেখে কেনার পাশাপাশি অর্ডার করলেও হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। গিয়ে দেখা মেলে, তাক ভর্তি দেশি বিদেশি সেরা সব প্রকাশনীর বইয়ের সংগ্রহ। বাংলাসাহিত্যের যশশ্বী সব লেখকের রচনাবলীর বড়সর ভান্ডার। রবীন্দ্র, জীবনানন্দ, মানিক, বিভূতিভূষণ তো আছেনই। সঙ্গে আছে, নোবেল বিজয়ী লেখকদের অনুবাদ বইয়ের পাশাপাশি শিল্পের অন্যান্য শাখারও চমৎকার সব সংগ্রহ। ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শনের ওপর রকমারি গ্রন্থের সংগ্রহ ছাড়াও রয়েছে শিশুতোষ বইপুস্তক। এছাড়া নতুন কোন বই আসলে সেটি পাঠকদের জানিয়ে দিতে প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক ওয়ালে ছবিসহ বইটির অন্যান্য তথ্য দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।

বইয়ের নান্দনিক রাজ্য ‘নির্বাচিত’ ।। সাহিত্য সংবাদবই বিপণনের এই প্রতিষ্ঠানটির যশোর শাখা ব্যবস্থাপক শেখ জহিরুল ইসলাম জিতু জানান, যশোরে মানসম্মত বই না পাওয়ায় ক্রেতাদের ভেতর অনাগ্রহ রয়েছে। সামাজিক বিরুদ্ধ স্রোতে জেলা-উপজেলায় বইয়ের দোকান নেই বললেই চলে। যা-ও আছে, গাইড বই ও স্টেশনারিতেই তাদের মূল ফোকাস। এখন তাহলে প্রশ্ন হলো- পাঠযোগ্য বই পাবেন কোথায়? যদিও অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে সেটির কিছুটা লাঘব হয়েছে। কিন্তু তা অপ্রতুল। জিতু বলেন, ‘সব চিন্তা করে হাতের নাগালে বই পৌঁছে দিতে কাজ করছে নির্বাচিত। যেখানে কেনা-কাটায় বই হাতে নেওয়া, বইয়ের গন্ধ পাওয়ায় শ্বাশত অনুভূতি পাবেন পাঠক। এমনকি অর্ডার করলেও থাকবে বই পাওয়া সুযোগ।’