যশোরে নিহত আবদুল আলীমের বাড়িতে শোকের মাতম

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ দেড় মাস পর অসুস্থ আরবী বেগমকে (৪০) বাড়ি আনার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ৫জনের মধ্যে একজন আরবীর ভাই আবদুল আলীম। মঙ্গলবার রাতে যশোর সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামে আব্দুল আলীমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম চলছে। তার আরেক ভাই ইনসান শেখের অবস্থাও আশংকাজনক। একই পরিবারের চারজন নিহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের আরবী বেগম ও আবদুল আলীমের ফুফাতো ভাই মিজানুর রহমান বাবু বলেন, আরবী বেগম মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দেড় মাস আগে তাকে পাবনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রিলিজ দেয়া হলে সোমবার রাত ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে আনতে রওনা হন। মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা থেকে কুষ্টিয়ায় এসে পৌঁছান। সেখানে এক আত্মীয়র বাড়িতে দুপুরের খাবার খান। এরপর আবারও যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে তারা প্রাণ হারিয়েছেন।
নিহত আবদুল আলীমের খালাতো ভাই আমিনুর রহমান বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের মালিক মফিজ নিজেই। ড্রাইভার দিয়ে সেটি পরিচালনা করতেন। তিনি নিজেই ডেন্টিং মিস্ত্রি (গাড়ির বডি রঙয়ের কাজ) । নিজের অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে পাবনা ভর্তি স্ত্রীকে আনতে সোমবার রাতে যশোর থেকে রওনা হয়। যশোর শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আমি এগিয়ে দিয়ে এসেছি। বিকেলে শুনছি তারা লাশ হয়েছে।

শেয়ার