তরুণদের সঙ্গে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন মামুনুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ জামাল ভূইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, রবিউল ইসলামদের ভিড়ে দলের মাঝমাঠে জায়গা পাওয়া মামুনুল ইসলামের জন্য কঠিনই। তবে তরুণদের সঙ্গে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ৩১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। জানালেন, আঁটঘাট বেঁধে অনুশীলন করছেন নেপাল ম্যাচে সেরা একাদশে জায়গা পেতে। আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত মার্চ থেকে বন্ধ থাকা ফুটবল এ ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরবে। ৩৬ জনের প্রাথমিক দলে আছেন মামুনুল। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন একটু দেরিতে। ঘাম ঝরাচ্ছেন নিজেকে ফিরে পেতে, সেরা একাদশে জায়গা করে নিতে।
“আমি ছাড়া আমাদের দলের সবাই তরুণ। চেষ্টা করব তরুণদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, তাদের মতো লক্ষ্য নিয়ে তাদের চেয়ে ভালো করার। আমি দৌড়াচ্ছি আমার জায়গায়। তরুণদের সঙ্গে লড়াই করে আমাকে তাদের জায়গায় আসতে হবে। এটা খুবই ভালো এবং চ্যালেঞ্জিং। আমিও চ্যালেঞ্জ খুব উপভোগ করি।” লম্বা সময় খেলার বাইরে থাকায় ফিটনেসের ঘাটতি আছে বেশ, অকপটে মেনে নিচ্ছেন মামুনুল। নেপাল ম্যাচের আগে ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী অভিজ্ঞ এই ফুটবলার।
“দীর্ঘদিন আমরা মাঠের বাইরে ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করলেও সেটা কোনো লক্ষ্য নিয়ে করা হয়নি। এতে অবশ্যই ফিটনেসের একটু ঘাটতি থাকে। এই ঘাটতি পূরণের জন্য গত কয়েকদিন কাজ করা হয়েছে। শুধু আমি নই, সব খেলোয়াড়ই চেষ্টা করছে শতভাগ দেওয়ার। প্রতিটা সেশনের শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করছে সবাই।”
মাঝের সময়টাতে কেবল দলীয় অনুশীলনে ছিলেন বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়রা। বাকিরা অনুশীলন করেছেন ব্যক্তিগতভাবে। কিংসের খেলোয়াড়রা ফিটনেসে বাকিদের চেয়ে এগিয়ে বলেও মনে করেন আবাহনী লিমিটেডের মামুনুল। “আমি মনে করি বসুন্ধরা থেকে যারা এসেছে, তারা প্রায় ৯৯ ভাগ ফিট আছে। আমরা যারা দলীয় অনুশীলন করিনি, ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করেছি তাদের কেউ ৬০, কেউ ৭০ ভাগ ফিট। কিন্তু এ কয়েকদিনে আমাদের ফিটনেস শতভাগে নিয়ে আসতে হবে। এখনও আমাদের হাতে সপ্তাহ দুয়েক সময় আছে।”

শেয়ার