চুড়ামনকাটির কাঠ ব্যবসায়ী মোস্তফা হত্যাকাণ্ডের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে কাঠ ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী সালমা বেগম সোমবার অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে চারজনকে আটকের গুঞ্জন রয়েছে। এরা হলেন, ঘোনা গ্রামের চঞ্চল ও আব্দুর রহমান, চুড়ামনকাটি মালোপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন এবং নিহতের ব্যবসায়ী পার্টনার আব্দুল্লাহ। তবে পুলিশ আটকের বিষয়ে স্বীকার করেনি।

বাদী মামলায় উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী গোলাম মোস্তফা কাঠ ব্যবসায়ী। প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৪ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে ব্যবসায়ী কাজের উদ্দেশ্যে বের হন। আব্দুল্লাহসহ অন্য ব্যসায়ীর কাছে যাওয়ার কথা বলেই বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন বলে তার স্ত্রী সালমা বেগম দাবি করেছেন। সালমা বেগমের ওষুধ কেনার জন্য সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে স্বামীর নম্বরে ফোন করেন। এসময় গোলাম মোস্তফার ফোনসেট বন্ধ পাওয়া যায়। এভাবে রাত ১২টা পর্যন্ত তার স্বামীর নম্বরে ফোন করে বন্ধ পান সালমা বেগম। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফোন করলে রিং হয় কিন্তু রিসিভ হয়নি। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পরিবারের আরেক সদস্যের ফোন দিয়ে গোলাম মোস্তফার নম্বরে রিং করলে রিসিভ করলেও কোন কথা বলেনি। তবে পাশ থেকে ছোট শিশুদের কথা শোনা যায়। সাড়ে ৯টার দিকে লোক মারফত জানতে পারেন কাশিমপুর ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের জনৈক চিত্ত বাবুর মেহগনি বাগানের দক্ষিণ পাশে বুড়ি ভৈরব নদীতে একটি মরদেহ ভেসে আছে। এরপর বাদীর ছোট ছেলে হাবিবুর রহমান প্রতিবেশী তানভীর হোসেন রক্সির মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন গোলাম মোস্তফার লাশ। এরই মধ্যে খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা এবং সাজিয়ালি ক্যাম্পের পুলিশ সেখানে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, চুড়ামনকাটির কাঠ ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফার খুনিদের দ্রুত আটক ও কারণ উদঘাটন করা হবে।

 

শেয়ার