বেনাপোল বন্দর পরিদর্শনে দিল্লিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার

বেনাপোল প্রতিনিধি ॥ দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মোহাম্মাদ ইমরানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। শুক্রবার দুপুরে প্রতিনিধি দলকে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, বন্দরের ব্যবসায়ী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। হাইকমিশনার বেনাপোল কাস্টমস হাউজ, বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন, স্থলবন্দর অফিসসহ বিভিন্ন অফিস ঘুরে দেখেন। পরে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে কাস্টমস, বন্দর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি-রফতানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এর আগে, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বেনাপোল কাস্টমসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নার পরিদর্শন করেন তিনি। বিকালে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনে আমদানি-রফতানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বন্দরের আমদানি-রফতানিকারকরা হাইকমিশনারের কাছে বনগাঁ কালিতলা পার্কিংয়ের আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় তিনি সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান, হাইকমিশনারের ডেপুটি কমিশনার এবিএম জামাল হোসেন, হাইকমিশনের কনস্যুলেট সহিদ আজিজ, ফার্স্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ আরিফ, বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান, বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মামুন কবির তরফদার, শার্শা উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার রাসনা শারমিন মিখি, ইমিগ্রেশন ওসি মহাসিন আলী, ইন্দো বাংলা চেম্বার অব কর্মাসের পরিচালক মতিয়ার রহমান, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা প্রমুখ।
ব্যবসায়ী নেতা মতিয়ার রহমান ও বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মামুন তরফদার বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের যে বাণিজ্য হয় তার ৭৫ শতাংশ হয় দেশের বৃহৎ স্থলপথ বেনাপোল দিয়ে। বন্দর ও কাস্টমসহ পাসপোর্ট যাত্রীদের সমস্যা সম্ভাবনা, আমদানি-রফতানি বিষয়ে খোঁজখবর নিতে হাই কমিশনার বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন করেন। চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে যেমন গুরুত্বপূূর্ণ ভূমিকা রাখবে তেমনি আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে জটিলতা ও ভারত ভ্রমণে পাসপোর্ট যাত্রীদের দূর্ভোগ লাঘব হবে বলে জানান তারা।

শেয়ার