করোনার দাফন কাফনের প্রধান মাওঃ আমিনির নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি

ফাইজুল কবির (আশাশুনি) প্রতিনিধি॥ আশাশুনির শোভনালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক হোসেনের স্ত্রী ফরিদা খাতুন তার আপন ভ্রাতা করোনার দাফন কাফনের প্রধান মাওঃ আমিনির বিরুদ্ধে তার অপর বোনের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে রোববার বেলা ১২ টার দিকে পারুলিয়া গ্রামে তার পিতার বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমার বোন ফাহিমা আমার ছোট ভাই মোস্তাফিজকে ব্যবসা করার জন্য স্বেচ্ছায় ১০ হাজার টাকা ধার দেয়। কিছুদিন পর টাকা ফেরত চায় বোন ফাহিমা। এ নিয়ে ভাই বোনের মধ্যে মৌখিক ঝগড়া হয়। সে মোতাবেক আমার পিতা জীবিত না থাকায় বড় বোন হিসাবে ১০ ভাই বোনদের উপস্থিতিতে বোন ফাহিমা জামাই আব্দুল মালেক এর ধার নেওয়া টাকা পরিশোধ করা হয়। এর মধ্যে এলাকার একটি কুচক্রি মহল আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার স্বামীর ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য বোন জামাইকে লোভ দেখিয়ে গত ১৩ অক্টোবর সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ৭ নং আদালতে আমার বড় ভাই ফজলুল হক আমিনি ছোট ভাই মোস্তাফিজ ও স্বামী ফারুক হোসেন এবং ঘেরের কর্মচারী মহিনকে আসামী করে আব্দুল মালেক একটি কল্পকাহিনীর নাটক সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত কর্তৃক এ মামলাটি দেবহাটা থানায় এফ আই আর হিসাবে রেকর্ড করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, আমার বড় ভাই ফজলুল হক আমিনি দীর্ঘ ২২ বৎসর সুনামের সাথে দক্ষিন পারুলিয়া পূর্ব পাড়া মদিনাতুল জামে মসজিদের ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি করোনা কালীন সময়ে (খেদমতে কল্ব¦ব) কাফন দাফন স্বেচ্ছাসেবক টিমের দেবহাটা উপজেলার প্রধান হিসেবে আজও জীবন বাজি রেখে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমার ভাই ইতিমধ্যে দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গণি, সাবেক যুবলীগ সভাপতি বদরুজ্জামান (কান্তি), আতাপুর গ্রামের মনোয়ারা খাতুন ও নুর হোসেন সাহাজী নামের এ সকল ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করলে তাদের দাফন কাফন করেন। সেই ব্যক্তিকে একটি মিথ্যা মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় একজন আলেমের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাতা করিমুন্নেছা, বোন আঞ্জুয়ারা খাতুন, ফেরদাউস, ফাতেমা খাতুন, ফাইজুন্নেছাসহ চার ভাই ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার