ব্যতিক্রমী আয়োজনে শেষ হলো বিবর্তন যশোরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন

 ৫ জনকে ‘সোনার মানুষ সম্মাননা’ প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ শুক্রবার আলোচনা, সম্মাননা প্রদান, আবৃত্তি ও নাটক মঞ্চস্থের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে বিবর্তন যশোরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন। প্রতিষ্ঠার ৩২ বছরে পা রেখে সংগ্রামে-সৃষ্টিতে মানুষের পাশে, মানুষের সাথে, এই মূলমন্ত্রে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করা হয়। শিল্পকলা একাডেমিতে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নাটকের প্রতি দর্শক আগ্রহ ছিল বেশি। যার প্রমাণ মেলে আলোচনা শেষে নাটক পর্বে। দেড় ঘণ্টা নাটকের পুরো সময় দর্শকদের চোখ মঞ্চেই আটকে ছিল। সংলাপ, অভিনয়, আলো আর নেপথ্যের সংগীত তার কারণ। সাথে আছে নতুন কিছু দেখার আগ্রহ। কীভাবে নকশীকাঁথার মাঠে হাজির হয় রোমিও জুলিয়েট। অপরূপ কল্প সমন্বয়ে অনবদ্য আখ্যান কাব্য নকশী কাথার মাঠে ঠিকই রোমিও জুলিয়েট এসে হাজির হন। রূপাই সাজুর প্রেমের মতো রোমিও জুলিয়েটের প্রেমও করুণ পরিণতি পায়। মঞ্চের কথা কাহিনীর সাথে আগত দর্শক নকশীকাঁথার নানা ধরনের সুতায় সুতায় বুকে একে রাখে পবিত্র প্রেমের সব করুণ ব্যাথা। নাটকের আগে বিবর্তনের সহসভাপতি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক নওরোজ আলম খান চপলের সভাপতিত্বে আলোচনা ও সম্মাননা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার কামরুল আরিফ, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, উন্নয়ন কর্মী স্বপন গুহ, মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, বিবর্তনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ এবং শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু। আলোচনা শেষে সোনার দেশের সোনার মানুষ সম্মাননা ২০২০ প্রদান করা হয়। অতিথিবৃন্দ নির্বাচিত সোনার মানুষদের এ সম্মাননা তুলে দেন। এবছর বিবর্তন বৃক্ষপ্রেমী আব্দুল ওয়াহিদ সরদার, পরিচ্ছনতা কর্মী মালা রানি, ফুল চাষি সাজেদা বেগম, গাছি আব্দুস সামাদ এবং শ্রমিক পরিতোষ তরফদারকে সোনার মানুষ সম্মাননা প্রদান করেছে।

শেয়ার