বছরজুড়েই বাস্কেটবলের চর্চা রয়েছে যশোরে

 সাফল্যের নতুন সিঁড়িতে উঠতে আরো পরিকল্পনা বর্তমান পরিষদের

ইমরান হোসেন পিংকু
বাস্কেটবল অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। গোলাকৃতি, কমলা রঙের বলের খেলাটি যশোরের ৮০শ’ দশকের গোড়ার দিকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সেই থেকে খেলার চর্চা অব্যাহত আছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছে এই খেলার প্রতি। ২০১৯ সালে যশোরের মেয়েরা বাস্কেটবল খেলার অনুশীলন শুরু করেন। এক বছরের মাথায় চলতি বছরে এসএ গেমসে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা বাস্কেটবলের অধিনায়কত্ব করছেন এই জেলারই মেয়ে শারমিন খাতুন। বিগত তিন বছর ধরে এ জেলার পক্ষ থেকে বাস্কেটবল ফেডারেশনে কার্যনির্বাহী পরিষদেরও সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন রায়হান সিদ্দিকী প্রবাল।
এদিকে, বলতে গেলে বছরজুড়েই বাস্কেটবলের চর্চা রয়েছে যশোরে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে লিগের খেলা। যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি থাকার কারণে অন্যান্য ইভেন্টের ন্যায় এ ইভেন্টের খেলা হয়নি ২০১৯ সালে। চলতি বছর লিগের খেলা হওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বাস্কেটবল পরিষদ সংশ্লিষ্টদের।
অপরদিকে যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার বাস্কেটবল পরিষদের অফিসকক্ষ রয়েছে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে। এখানে খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য রয়েছে সরঞ্জামাদি। এসবের মধ্যে রয়েছে হাইড্রোলিক হাইভোল্টেজ রামান রিং, লেট পাওয়ার মেশিন, সেটাপ বেঞ্চ, রানিং মেশিন, সাইকেলিং, বেলি সেটাপ, ডাম্বেল ইত্যাদি। এসব সরঞ্জামাদি সংগঠকদের উদ্যোগেই স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা যায়।
বাস্কেটবল পরিষদের সম্পাদক রায়হান সিদ্দিকী বলেন, ‘বাস্কেটবলকে আরো গতিশীল ও জনপ্রিয় করাই হচ্ছে আমাদের পরিষদের মূল লক্ষ্য। ছেলেদের ৬টি স্কুল ও মেয়েদের ৪টি স্কুল নিয়ে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করা হবে। এদের নিয়ে একটি স্কুল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। চলতি বছরের শেষের দিকে অথবা নতুন বছরের শুরুতে জেলা লিগ আয়োজন করা হবে। এর আগে সাবেক বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের নিয়ে রেসিং কোচ করানো হবে খেলা
চলতি বছরের আগস্ট মাসে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করে বিভিন্ন উপপরিষদ। বাস্কেটবল পরিষদ গঠন করা হয়েছে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট। সভাপতি হয়েছেন সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এবং সম্পাদক হয়েছেন রায়হান সিদ্দিকী প্রবাল। সহসভাপতি করা হয়েছে জাহিদ হাসান টুকুন, হিমাদ্রী সাহা মনি, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, সিদ্দিকী চুন্নু ও তানভিরুল ইসলাম সোহানকে। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন মধুসুদন সরকার, এজাজ উদ্দীন টিপু ও হারুন অর রশীদ। সদস্য হয়েছেন এ জেড এম সালেক, এম এ আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল, ফেরদৌসী বেগম, শেখ শহিদুল বারী রবু, শাহিনুর রহমান তপু, মনিরুল ইসলাম, শেখ রাশেদ আব্বাস রাজ, নিবাস হালদার, আনোয়ার আলী, সমর কৃষ্ণ হালদার, কাজী মশিউল ইসলাম প্রিন্স, আজিজ আহমেদ, আনিসুর রহমান ও গাজী আশিক হাসান।

শেয়ার