আশাশুনির কুঁন্দুড়িয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত সম্পন্ন

ফায়জুল কবীর (আশাশুনি) সাতক্ষীরা॥ আশাশুনির কুঁন্দুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান কর্তৃক সুপারিশকৃত স্কুলের অভিভাবক ও এলাকাবাসী বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুর্শিদা খাতুন সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অভিভাবকদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে গোপনে নিজের পছন্দের লোকদের নিয়ে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা বারংবার নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের অনুরোধ করলেও তিনি কর্ণপাৎ করছেন না। এমনকি জাতীয় সংসদ সদস্য, সাতক্ষীরা-৩ সুপারিশকৃত বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে কমিটিতে না রাখতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।
এদিকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও’র নির্দেশক্রমে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুস সেলিম ও আব্দুর রকিব বুধবার সকালে স্কুলে তদন্তকার্য পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসিম বরন চক্রবর্তী, পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, ইউপি সদস্য, অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষক কর্মচারীসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকালে উপস্থিত সকলের বক্তব্যে প্রধান শিক্ষকের বিরদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয়।
এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুস সেলিমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, উপস্থিত অধিকাংশ ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে স্কুলের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় করা হবে।
এদিকে তার অনিয়মের বিষয়ে ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক মুর্শিদা খাতুন স্কুলে যোগদান করার পর উপবৃত্তির ৮৪ হাজার টাকা আতœস্বাত করেন। বিষয়টি স্থানীয় আ’লীগের নেতৃবৃন্দ ও ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেরলে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে প্রধান্ শিক্ষক সমুদয় অর্থ পরিশোধ করেন এবং সে যাত্রায় রেহাই পান। সে থেকে প্রধান শিক্ষক একটি বিশেষ মহলের সাথে হাত মিলিয়ে এহেন অনিয়মের আশ্রয় নিচ্ছেন।
এসব বিষয় আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

শেয়ার