যশোর হাসপাতালে তিন নারীর টাকা ও ফোন চুরির অভিযোগে এক নারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ রোববার দুপুরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তিন নারীর টাকা ও মোবাইল চুরির অভিযোগে মুক্তা বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে চুরি করা একটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়। আটক মুক্তা বেগম শহরের শংকরপুর এলাকার মুস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। এব্যাপারে তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী অভয়নগর উপজেলার জিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী আরজিনা বেগম অভিযোগ করেন, এদিন সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। ডাক্তারের চেম্বারের সামনে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকার সময় তার কাছে থাকা ভেনেটি ব্যাগের মধ্যে থেকে এক হাজার টাকা চুরি করে নেয়।
সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম জানান, তিনি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। কাউন্টারের সামনে থেকে টিকিট কাটার সময় তার ভেনেটি ব্যাগে থাকা একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি মোবাইল ফোন ও নগদ ২৩০ টাকা চুরি করে নেয়। সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ধোপাখোলা গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, তিনি হাসপাতালে রোগী দেখে ফেরার পথে ওভার ব্রিজের নিচে একজনের সাথে কথা বলছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার ভেনেটি ব্যাগে থাকা মোবাইল ফোনটি খোয়া গেছে।
যশোর সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত এএসআই শাহিন হোসেন বলেন, তিন মহিলার মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা চুরি যাওয়ার ঘটনা শুনে স্থানীয় লোকজন মুক্তা বেগম নামে এক নারী পকেটমারকে আটক করে ঘিরে রাখে। এরপর কোতোয়ালি থানায় ফোন দিলে পুলিশের গাড়ি এসে চোরসহ ভুক্তভোগী তিনজনকে থানায় যায়।
যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই অনুপম রায় বলেন, তিন মহিলার টাকা ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে থানায় মামলা হবে।

শেয়ার