করোনাভাইরাস কেড়ে নিল এসপি বালাসুব্রামানিয়ামের প্রাণ

সমাজের কথা ডেস্ক॥ বহু গানের প্রাণ দেওয়া গায়কের প্রাণ কেড়ে নিল করোনাভাইরাস।

‘হাম আপকে হ্যায় কোন’ ছবির পেহলা পেহলা পেয়ার, ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’র দিল দিওয়ানা বা ‘সাজান’য়ের দেখা হ্যায় পেহলি বার- এরকম বহু অমর গানের গায়ক এসপি বালাসুব্রামানিয়াম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন শুক্রবার।

সংক্ষেপে ‘এসপিবি’ নামে পরিচিত এই বর্ষীয়াণ গায়েকের ছেলে এসপি চরণের উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্ডিয়ানএক্সেপ্রেস ডটকম জানায় মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

চরণের কথায়, “এসপিবি সবার জন্য। আমার বাবা গানের মাঝেই বেঁচে থাকবেন। শুক্রবার দুপুর ১টা ০৪ মিনিটে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।”

চেন্নাইয়ের এমজিএম হেল্থকেয়ার এক বিবৃতিতে জানায়, “হালকা করোনাভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে এসপি বালাসুব্রামানিয়াম ৫ অগাস্ট আমাদের হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হওয়াতে ১৪ অগাস্ট তাকে ‘লাইফসাপোর্ট’য়ে রাখা হয়। পরে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়। তিনি ফুসফুসের সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন।”

৪০ হাজার গান রেকর্ড করেছেন বালাসুব্রামানিয়াম। হিন্দি তো বটেই, গেয়েছেন বাংলা, কন্নাড়া, তামিল, তেলুগু, মালায়ালাম ভাষায়। সেরা গায়ক হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। ২০০১ সালে পদ্মশ্রী ও ২০১১ সালে পদ্মভূষণ পদক লাভ করেন।

তেলেগু ছবি ‘শ্রি শ্রি শ্রি মার্যাদা রামান্না’র মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে এই গায়কের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৬ সালে।

এক দিনে ২১টি গান রেকর্ড করার রেকর্ড রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। সালমান খানের বলিউডে উত্থান মূলত এসপিবি’র হাত ধরেই।

গান ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি তামিল ছবিতেও অভিনয় করেছেন।

শেয়ার