যশোরে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি, তিন সন্ত্রাসী আটক

নিজস্ব প্রকিবেদক ॥ যশোরে আধিপত্য বিস্তার করতে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে তিন সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় শহরতলীর ধর্মতলা কাঁচা বাজারে আজিম ফার্মেসির সামনে এই ঘটনার পর থানায় মামলা হয়েছে। একই এলাকার খোলাডাঙ্গা গ্রামের মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় এই মামলা করেন। আটককৃতরা হলো, ধর্মতলা গাজীপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে রাসেল, আব্দুল আলীমের ছেলে সুজন ইসলাম জিসান ও খোলাডাঙ্গা ব্র্যাক অফিসের পিছনের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে রেদোয়ান আহম্মেদ নাহিদ।
এই মামলার পলাতক আসামিরা হলো, ধর্মতলা খ্রিস্টানপাড়ার তবিবরের ছেলে সোহেল, লিটনের ছেলে আরাফাত রাজু, বারান্দী মোল্যাপাড়া এলাকার শুভ, সুজলপুর মাঠপাড়ার মোতাচ্ছিন হাওলাদারের ছেলে সজল, কারবালা পুকুরপাড় এলাকার সোলাব এবং ধর্মতলা কাঁচা বাজার এলাকার আসাদের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার বাদী খোলাডাঙ্গা গ্রামের মনির হোসেন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বোমাবাজ। স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাদীর লোকজনদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাদী মনির হোসেন ও তার কয়েকজন সহযোগী ধর্মতলা কাঁচা বাজারের আজিম ফার্মেসির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা বাদীকে লক্ষ্য করে ৩/৪টি বোমা নিক্ষেপ করে। তাদের নিক্ষেপ করা বোমার স্প্রিন্টারে ২/৩ জন সামান্য আহত হয়েছে। তবে বোমার বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রাসেলকে আটকের পর গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ রাসেলকে হেফাজতে নেয়।
এরপর রাতের অভিযানে সুজন ইসলাম জিসান ও রেদোয়ান আহম্মেদ নাহিদকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই মাইনুল আহসান কবীর।

শেয়ার