কুষ্টিয়ায় মিঠুন হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন, স্ত্রীর ১০ বছর দণ্ড

সমাজের কথা ডেস্ক॥ কুষ্টিয়া সদর থানার চায়ের দোকানদার মিঠুন হোসেন হত্যা মামলায় তার ভাতিজার যাবজ্জীবন এবং অপর দুই আসামিকে ১০ বছর করে কারাদ-াদেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামি হলেন, কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার ঢাকা ঝালুপাড়ার মওলা মন্ডলের ছেলে মো. শিমুল হোসেন (৩০)।

১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্ত আসামি শিমুল হোসেনের স্ত্রী সাথী বেগম (২৬) এবং একই এলাকার খয়বার আলী প্রামানিকের ছেলে সবুজ হোসেন (২৪)।
মামলার অন্য আসামি লিটন হোসেন, মনিরুল ইসলাম ও খয়বার আলী প্রামানিককে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী জানান, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নিহত মিঠুনের ভাতিজা শিমুল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা অর্থদ- অনাদায়ে আরও এক বছর সাজার আদেশ দেয়।
এছাড়া সাথী বেগম ও সবুজ হোসেনকে ১০ বছরে করে কারাদ- ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদ- অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে সাজার আদেশ দেয়।
সেই সাথে মামলার বাকি তিন আসামিকে খালাস দেয় বলে জানান এই পিপি।
২০১৮ সালের ১৩ অগাস্ট রাত ৯টায় কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার ঢাকা ঝালুপাড়ায় এক চায়ের দোকান থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মিঠুন হোসেনকে পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ভাতিজা শিমুল পেছন থেকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কোপায়। এতে মিঠুনের নাড়িভুড়ি বেড়িয়ে যায়। গুরুতর আহত মিঠুনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় পরদিন ১৪ অগাস্ট নিহত মিঠুনের স্ত্রী রিনা বেগম ছয়জনের নাম উল্লেখ করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

শেয়ার