কেশবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরী ‘ধর্ষণ’ আদালতে এক আসামির স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কেশবপুরে প্রতিবন্ধী (তৃতীয় লিঙ্গ) এক কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আটক মোমিন সরদার (৪০)। বৃহস্পতিবার যশোরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি শেষে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম। আসামি মোমিন সরদার কেশবপুর উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মৃত আরশাদ আলী সরদারের ছেলে।
মোমিন সরদার বলেছেন, প্রতিবন্ধী ওই কিশোরী তার মামাতো বোন। মোমিন সরদার প্রতিদিন মাঠে ঘাস কাটতে যান। মাঝে মধ্যে ওই কিশোরীও ঘাস কাটতে যায়। মাঠে তাদের দেখা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই কিশোরী ঘাস কাটা অবস্থায় বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন মোমিন। ওই কিশোরীর রক্তক্ষরণ হয়। পরে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
মামলার বিবরণের জানা গেছে, ঘটনার দিন ওই কিশোরী তাল কুড়ানোর জন্য মাঠে গিয়েছিল। ওই সময় মোমিন সরদারের ডিপ টিউবওয়েলের ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরী বাড়ি এসে বিষয়টি জানায়। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তাকে প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবার তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন কেশবপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে মোমিন সরদারকে আসামি দিয়ে কেশবপুর থানায় মামলা করেছেন। ওই মামলায় ১৭ সেপ্টেম্বর আসামি মোমিন সরদারকে আটকের পর যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এসময় মোমিন সরদার ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম তার জবানবন্দি শেষে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।

শেয়ার