নেংগুড়াহাটে কিশোরের হাতে আহত দাদীর মত্যু

নেংগুড়াহাট (মনিরামপুর) প্রতিনিধি॥ মনিরামপুর উপজেলার নেংগুড়াহাট এলাকায় নোয়ালী গ্রামের কিশোর সজিব স্মার্ট ফোন কেনার জন্য চাচাতো দাদীকে মাঠে ডেকে নিয়ে সোনার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনার ৮দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে সেই দাদীর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে বৃদ্ধার মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, মণিরামপুর উপজেলার নোয়ালী গ্রামের মফিজুর রহমান শেখের ছেলে সজিব হোসেন (১৫) গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে তার চাচাতো দাদী নুর মোহম্মাদ শেখের স্ত্রী ছকিনা খাতুন (৬৫) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পশ্চিম মাঠের কপোতাক্ষ নদের পাড়ে নিয়ে যায়। এরপর দাদীর গলাই থাকা স্বর্নের চেইন, কানের দুল ও হাতের বালা জোর পূর্বক খুলে নেওয়ার সময় দাদী বাঁধা দিলে তাকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। দাদীর মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে বাগানের ভীতরে গাছের পাতা দিয়ে ঢেকে রেখে সোনার গহনা নিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে ঘটনা জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন এসে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেয়। স্বজনরা তাৎক্ষনিক তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ৮ দিন চিকিৎসার পর ১১ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে মারা যান তিনি।
এদিকে সোনার গহনা ছিনতাইকারী ও হত্যাকারী সজিবের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

 

শেয়ার