ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আতঙ্কের নাম কুকুর!

ভেড়ামারা প্রতিনিধি॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আতঙ্কের নাম কুকুর! কুকুরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত। রোগী ও স্বজনেরা। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে কুকুর নিধন বন্ধ থাকায় ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে ক্রমেই কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।
জানাগেছে, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে রোগী ও তার পরিবারের লোকজন রীতিমতো আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করছেন। কুকুরের কামড়ে রোগির পরিবার আক্রান্ত হচ্ছে।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, ইতিপূর্বে ভেড়ামারা পৌরসভার অধীনে কুকুর নিধন অব্যাহত ছিলো। কিন্তু ‘অভয়ারণ্য’ নামে এক এনজিও কুকুর মারাকে প্রাণী হত্যা ও পরিবেশ বিরোধী বলে প্রচারণা শুরু করে। এরপর কুকুর নিধনের বিপক্ষে রিট করার পর উচ্চ আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। উচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কুকুর নিধন বন্ধে নির্দেশ দেয়।
এদিকে রোগীর স্বজন সালাউদ্দিন বলেন, হাসপাতালে কুকুর ঘেউ-ঘেউ করে তেড়ে আসে। আর রাত হলেতো কথাই নেই। রাতের বেলায় কুকুর গুলো হাসপাতালের ১ম ও ২য় তলায় ঘুরাঘুরি করে। কুকুর নিয়ে সবাই আতঙ্ক আর ভোগান্তিতে আছি।
ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুরুল আমিন জানান, কুকুর নিধন এর ব্যাপারে বাহিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রওশনারা সিদ্দিক কে অবগত করা হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেবে বলেন জানান।
ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শামিমুল ইসলাম ছানা বলেন, আসলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে কুকুর নিধন সম্ভব হচ্ছে না। কুকুরের উপদ্রব যে হারে বাড়ছে তাতে সমাজের ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হবে। ইতিপূর্বে কুকুর নিধন অব্যাহত ছিলো। কিন্তু হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে কুকুর নিধন বন্ধ থাকায় ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে ক্রমেই কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলছে।

শেয়ার