যবিপ্রবি ল্যাবে আরো ১০০ নমুনা পজেটিভ যশোরে ৫৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আরো ১০০টি নমুনাকে করোনা পজেটিভ হিসেবে শনাক্ত করেছে। মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষে বুধবার সকালে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. তানভীর ইসলাম জানান, এদিন তাদের ল্যাবে তিন জেলার ২৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০০টি পজেটিভ এবং ১৮১টি নেগেটিভ ফল দেয়। এদিন যশোরের ১৪৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫৯টি পজেটিভি ফল দিয়েছে। এছাড়া মাগুরার ৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪টি এবং নড়াইলের ৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৭টি পজেটিভ ফল পাওয়া গেছে।
বুধবার যশোরে যাদের করোনা শনাক্ত হলো : বুধবার যশোর জেলার যে ৫৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছে, তাদের মধ্যে যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় আছেন ১২ জন। এছাড়া চৌগাছা উপজেলার নয়জন, কেশবপুরের ছয়, শার্শার আট, অভয়নগরের ২৩ এবং বাঘারপাড়ার একজন রয়েছেন।
যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তারা হলেন, বড়বাজারের আসাদুজ্জামান (৩২), ঘোপ ডিআইজি রোডের হারুন অর রশিদ (৩২), জাহিদ হাসান (৩০), পাঁচবাড়িয়ার নাজমুল হাসান সুমন (৩৮), নলডাঙ্গা রোডের শেফালি আক্তার (৩৮), ইছালী ইউনিয়নের মকলেচুর রহমান (৩৩), উপশহরের নাজমা (৪০), ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের মাহমুদুল (৩৮), বেজপাড়ার প্রান্তিক (১০) ও লক্ষ্মী (৩১) এবং পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার সাইদুর রহমান (৪৩) ও মহিরুল আজম (৬৭)। চৌগাছা উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন ইছাপুরের আব্দুল হাকিম (৫০), বাগপাড়ার বিলকিস বেগম (৫০) ও জলি বেগম (৩৮), কালিতলার সাইফুল ইসলাম (৫৩), চৌগাছা শহরের (৫০), নিরিবিলিপাড়ার সালেহা শবনম (২৪), চাঁদপুরের এমএম বাবুল (৪৯) ও লাকি আক্তার (৪৪) এবং পাতিবিলার শওকত (৪৫)। কেশবপুর উপজেলায় আছেন সুজন দাস (২০), কামরুন নাহার (৪২), শেখ আবুল কাশেম (৫৮) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিউলি খাতুন (২৯)। এছাড়া কেশবপুরে নমুনা দেওয়া অভয়নগরের আবু সায়েদ (৪৬) ও আলতাপোলের চিত্ত পাল (৭০) নামে দুই ব্যক্তিও আক্রান্ত। অভয়নগর উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন বুইকারার ইখতিয়ার হোসেন টুটুল (২৮), আতাউর রহমান খান (৬৬), তৈবুর রহমান (৫৩), সেলিনা বেগম (৫২), মিতা জামান (৩৮), অহনা জামান (১৫), সাহারা অনিকা (১৫) ও রাসেল তুহিন (৩৩), দেবীপুরের রেহেনা পারভীন (৪৩), পালবাড়ির আবু কাশেম মোড়ল (৬৭), পালপাড়ার শ্যামল রায় (৪৩), পায়রার আবুল কাশেম (৮০), শংকরপাশার আদাদুজ্জামান (৫৫), খলশির সৈয়দ সামসুর রহমান (৪৭), নওয়াপাড়া বাজারের ইকরামুল কবীর (৪৭), অভয়নগর থানার শাহ আলম (৩৮), গুয়াখোলার কামরুন্নেসা (৫৫), নওয়াপাড়ার পেয়ারা বেগম (৬০) ও বেলাল হোসেন (৩৮), দেয়াপাড়ার নাজমুল (৪৬)। ঠিকানা পাওয়া যায়নি মিজানুর রহমান (৫৯), দুর্লভ ম-ল (৩২) ও বিলকিস বেগম (৫০) নামে তিনজনের। শার্শা উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন নম্বর ওয়ার্ডের তোফাজ্জেল হোসেন (৩৯) ও আসমা সুলতানা (৩৩), শার্শা থানার রবিউল ইসলাম (২৮), বেনাপোলের আব্দুল মোতালেব (৬৮), তরিকুল ইসলাম (৩৭) ও শহীদ ইসলাম (৪২), দুর্গাপুরের আবুল হাসান (৩১) এবং শিক্ষা অফিসের হারুন অর রশীদ (৩৭)। বাঘারপাড়া উপজেলায় একমাত্র শনাক্ত হয়েছেন দরাজহাটের রেবারানি (৪০) নামে এক নারী। স্বাস্থ্য বিভাগ স্থানীয় প্রশাসনকে এই তালিকা সরবরাহ করেছে। শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি লকডাউনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা।

শেয়ার