যশোরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মান্নানের খুনিদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আব্দুল মান্নানের খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। রোববার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বেজপাড়া এলাকাবাসীর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকাবাসী ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্তরের স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৪ সালের ৯ আগস্ট শহরের বেজপাড়া রানার অফিস মোড়ে দুবৃর্ত্তদের গুলিতে নিহত হন স্বেচ্ছাসেবকলীগের শহর শাখার সভাপতি আব্দুল মান্নান। যশোর শহর স্বেচ্ছাসেবক যুবলীগের সভাপতি আবদুল মান্নান হত্যাকা-ের বিচার সম্পন্ন হয়নি পাঁচ বছরেও। সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়া হলেও খুনিদের বিচারের আওতায় আনা হয়নি। অনতিবিলম্বে খুনিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুজামান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নূরে আলম সিদ্দিকী, সহ-সাধারণ সম্পাদক বাবু সমীর কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইমামুল কবির, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মফিজুর রহমান ডাবলু, আশরাফুল ইসলাম, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক এস এম মাহমুদুল হাসান সুমন, যুগ্ম-আহবায়ক নজরুল ইসলাম সোহাগ প্রমুখ।
এদিকে মানববন্ধনের আগে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুজামান মিঠুর নেতৃত্বে মান্নানের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আব্দুল মান্নান এর স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৯ আগস্ট যশোর শহরের বেজপাড়া মাহফুজ সড়কে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে গুলি ও চাকু মেরে হত্যা করা হয় সদর উপজেলা যুবলীগ ও বেজপাড়া শান্তিশৃঙ্খলা কমিটির তৎকালীন সভাপতি আবদুল মান্নানকে। এ ঘটনার তিন দিন পর নিহতের ভাই মোর্শেদ আলী অজ্ঞাত ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের তদন্তে হত্যাকা-ে জড়িত ৭ জন শনাক্ত করা হয়। অভিযুক্তরা হলো- বেজপাড়া এলাকার মাসুদ, পেচো, সেলিম, রফিক, সাহাবুদ্দিন, হীরা ও খালেক। অভিযুক্ত আসামি খালেক ও হীরা আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছিলো।

শেয়ার