বিদেশগামীদের ‘কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ’ আর বাধ্যতামূলক নয়

সমাজের কথা ডেস্ক॥ মহামারীর এই সময়ে বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে বিদেশযাত্রায় কোভিড-১৯ পরীক্ষার ‘নেগেটিভ’ সনদ বাধ্যতামূলক আর থাকল না।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, যেসব দেশ যাত্রীদের জন্য করোনাভাইরাস নেগেটিভ সনদ চাইবে, কেবল সে সব দেশগামী যাত্রীদের এই সনদ নিতে হবে।

করোনাভাইরাস মহামারীতে গত মার্চ থেকে ৩ মাস বিশ্বে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন অনেক দেশ বন্ধ রেখেছিল।

সীমিত পরিসরে আকাশ পথ খোলার পর বাংলাদেশ থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে অনেকে বিদেশে গিয়ে ধরা পড়ার পর কোভিড নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করে সরকার।

তবে সেই সনদ নিতে গিয়ে বিদেশগামীদের বিড়ম্বনার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়মন্ত্রী ইমরান আহমদের সভাপতিত্বে করোনা ভাইরাসে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য করণীয়’ শীর্ষক ওই বৈঠক হয়।

সভায় মন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য বর্তমানে করোনা-নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক আছে।

“এই ব্যবস্থায় আংশিক সংশোধন করে যে সকল দেশ যাত্রীদের জন্য করোনা-নেগেটিভ সনদ চাইবে, কেবলমাত্র সে সকল দেশের যাত্রীদের জন্য করোনা-নেগেটিভ সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।”

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এখন থেকে বিদেশ যারা যাবেন, তাদের সবার জন্য কোভিড-১৯ মুক্ত সনদ বহন করা বাধ্যতামূলক নয়।

“কেবল যেসব দেশ বা এয়ারলাইন্স বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য কোভিড-১৯ মুক্ত সনদ চাইবেন সেই সব দেশ ও এয়ারলাইন্সে ভ্রমণের জন্য এই সনদ বহন করলেই হবে।”

“এই সিদ্ধান্ত আদেশ হিসেবে জারি হলে আমরা সেটা সবাইকে জানিয়ে দেব,” বলেন মফিদুর।

আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশ গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের বিমান যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্ধারিত হাসপাতাল/ক্লিনিক/পরীক্ষাগারে নমুনা দিয়ে প্রতিবেদন নিতে হত।

এখন বাধ্যতামূলক নেগেটিভ সনদ না লাগলেও বিমানবন্দরে বিদেশগামী সব যাত্রীর সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করতে বলেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী।

শেয়ার